শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে সম্ভাবনাময় কক্সবাজার স্পট নিয়ে আজকের লেখা


আবুবকর বিন রাশেদ: তামাদ্দুন২৪ডটকম।

২৭ সেপ্টেম্বরে সারা বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে থাকে বিশ্ব পর্যটন দিবস । জাতিসংঘের অধীনস্থ বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ১৯৮০ সাল থেকে সকল সদস্য দেশে এটি পালিত হয়ে আসছে।

ইতিহাস:
২য় বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তির পর বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্প্রসারণের ফলশ্রুতিতে বিশ্বব্যাপী পর্যটন ব্যবসার প্রসার ঘটে। এ অবস্থায় পর্যটনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিবর্গ ও ভোক্তা শ্রেণীর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে আন্তর্জাতিক ভ্রমণবিষয়ক সংস্থা বা আইইউওটিও। এ সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী পর্যটন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রসারের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও রাজস্ব আয়ে বিশেষ অবদান রাখার প্রেক্ষিতে পরবর্তীকালে জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানরূপে যুক্ত হয়। সংস্থাটির কার্যক্রম আরো জোরদার করার লক্ষ্যে জাতিসংঘের বাৎসরিক সম্মেলনের সময় এই সংস্থার সদস্যভূক্ত দেশগুলো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা-পর্যালোচনার মাধ্যমে করণীয় ঠিক করার মাধ্যমে বিশেষ অবদান রেখে যাচ্ছিল।

বিশ্ব পর্যটন সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত বিশ্বের ৬টি পর্যটন অঞ্চল:
১৯৭০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তারিখে সংস্থাটির বার্ষিক সম্মেলনে এর নাম, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য পুণঃমূল্যায়ণ ও নির্ধারণ করা হয় এবং তখন থেকে এটি "বিশ্ব পর্যটন সংস্থা" নামে চিহ্নিত করার বিষয়ে সদস্যদের মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়, যার কার্যক্রম নতুন নামে ১৯৭৪ সাল থেকে শুরু হয়। ১৯৮০ সালের বার্ষিক সম্মেলনে, এই সংস্থার গঠনের দিবসে অর্থাৎ ২৭ সেপ্টেম্বর তারিখে বিশ্বব্যাপী পর্যটন দিবস পালনের বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে তুরস্কে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সম্মেলনে এতে একটি স্বাগতিক দেশ নির্বাচনের মাধ্যমে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালনের কার্যক্রমে আরো গতিশীলতা আনয়ণের পক্ষে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ পর্যটন শিল্প পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সি বীচ কক্সবাজার কে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়৷
এর বিশালতা অবিচ্ছিন্ন রূপ গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রেখেছে তাকে ৷ কক্সবাজার সি বীচের মনোহরি সুন্দর্য পাহাড়সম ঢেও এবং সূর্য অস্তমিত হওয়ার দৃশ্য বারবার টেনে নেয় ভ্রমণ পিপাসু মানুষকে৷


কক্সবাজার:
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি জেলা ও বিশ্বের অন্যতম সেরা পর্যটন শহর কক্সবাজার। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। কক্সবাজার তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের জন্য বিখ্যাত। এখানে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্র সৈকত, যার দৈর্ঘ্য ১২২ কি.মি পর্যন্ত বিস্তৃত।

এখানে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর এবং সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন। একসময় কক্সবাজার পানোয়া নামেও পরিচিত ছিল যার আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে হলুদ ফুল। এর আরো একটি প্রাচীন নাম হচ্ছে পালঙ্কি।

লেখক: ভাইস প্রিন্সিপাল-মাদরাসাতুল মারওয়াহ, মিরপুর-১,ঢাকা-১২১৬।




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য