শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

মাদরাসার ছাত্ররা পড়াশোনার খরচ জোগাতে সন্ত্রাসী নয় ,এভাবেই শ্রম দেয়।


রিকশা থেকে নেমে ভাড়া দেয়ার সময় চেহারাটা খেয়াল করলাম। দেখে মনে হলো মাদরাসার ছাত্র।
জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি পড়াশোনা করেন? বললো, জী মাদরাসায় পড়ি। ডেকে রাস্তার পাশে এনে কথা বলতে শুরু করলাম।

জিজ্ঞেস করলাম, কোন জামাতে পড়েন? মুচকি হেসে বললো, -আপনি বুঝবেন না।
আমিও হেসে বল্লাম, আপনি বলুন, আমি বুঝবো।
তারপর কথা বলতে বলতে যে গল্পটাবেরিয়ে এসেছে :


ছেলেটার নাম মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম। বাড়ি নওগা। তিন ভাই দুই বোন। ভাইয়ের মধ্যে সে বড়। সে আর তার ছোট ভাই হাফেজ। জাহিদ হেদায়া শেষ করেছে, এবার মেশকাতে ভর্তি হবে নওগার এক
মাদরাসায়। কি একটা মাদরাসার নাম বললো, অনেক বড় নাম। সেখানে হেদায়া শেষ করেছে। এবার মেশকাতে ভর্তি হবে। সারা বছরের খাওয়া দাওয়া আর আবাসিক খরচের জন্য পাঁচ হাজার টাকা লাগে। আর ভর্তিতে লাগে তিন হাজার। কিন্তু সেটা তার সাধ্যে নেই। এই টাকাটার জন্যই বেশ কিছুদিন ধরে সে ঢাকায় রিকশা চালাচ্ছে। এখন আছে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়। তার মতো আছে আরো ৪ জন ছাত্র। আরও সপ্তাখানেক রিকশা চালাবে তারা। তারপর নওগা যেয়ে ভর্তি হবে মেশকাত
জামাতে। এই ছিলো গল্প।

বিঃদ্রঃ সুশীল বুদ্ধিজীবিদের দৃষ্টি আকর্ষনে শেয়ার করুন! এমন হাজারো প্রমাণ মিলে মাদ্রাসার অসহায় ছাত্ররা খরচ জোগাতে সন্ত্রাসী নয় ,এভাবে শ্রম দিয়ে খরচ বা নিজ চাহিদা জোগান দিয়ে থাকেন।

হে-আল্লাহ্ এসকল ভাইদের
দুনিয়া ও আখেরাতে কামিয়াবি দান করুন।

লেখা: সংগ্রহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য