শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

কলেজ পড়ুয়া বোনদের প্রতি আহ্বান। গাজী শরফুদ্দীন বুরহানী


তামাদ্দুন২৪ডটকম:

বিংশ শতাব্দি। আধুনিকতার ছোঁয়ায় সবাই মর্ডান হচ্ছি। ইউরোপ নামক সভ্যতাকে। পাশ্চাত্যের বেহায়াপনাকে আমরা জীবন কালচার হিসেবে গ্রহণ করছি। পাশ্চাত্যের সকল থিওরি যেন আমাদের আদর্শ। তবুও আমাদের মাঝে নেই শান্তি, নেই ভ্রাতৃত্ববোধ। সমাজে আজ চলমান জুলুম আর বেহায়াপনা। অথচ আমরা ভুলে গেছি চৌদ্দশ বছর আগে কতটা নিকৃষ্ট মানুষ ছিলাম।  ইসলাম আমাদের সর্বোচ্চ সম্মাননা দিয়েছে। ইসলাম শুধুমাত্র ধর্ম হিসেবে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়নি বরং মানবকুলের সকল সমাধান দিতেই ইসলামের আগমন। তাইতো ইসলাম পৃথিবীর বুকে এনে দিয়েছে ন্যায় বিচার, শান্তি-সমৃদ্ধি এবং ভাতৃত্ববোধ।

প্রিয় যুবতী বোনেরা!!
সৃষ্টিকর্তা আপনাদেরকে অপরূপ জাতি হিসেবে সৃষ্টি করেছেন।। পুরুষ জাতিকে বানিয়েছেন আপনাদের সুখের ঠিকানা। আপনারা পুরুষের রানী। মায়ের কলিজা। সন্তানের জান্নাত। সন্তান বানানোর কারিগর। আপনারাই পুরুষের মনোবাসনার শ্রেষ্ঠ স্থান । ইসলাম আপনাদের ফিরিয়ে দিয়েছে প্রাপ্ত হারানো সম্মান।

প্রিয় কলেজ পড়ুয়া!
আপনার ভবিষ্যতের লক্ষ্যে মা-বাবার স্বপ্ন পূরণে পড়াশোনার নিমিত্তে সময় ব্যয় করছেন। স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে শিক্ষাস্তরের মধ্যস্থলে পৌঁছেছেন । আপনি এখন প্রাপ্ত বয়স্কা একজন নারী। আপনাকে একটা কথা স্মরণ রাখতে হবে, আপনার চেহারা, আপনার হৃদয়ের মালিক, পরম স্পর্শকাতর সম্ভ্রম আপনার জন্য আমানত। এটার প্রাপ্ত অধিকারী আপনার স্বপ্নের স্বামী। বাসর রাতের সঙ্গী। আপনার পরম হাতের ছোঁয়া কেন অন্যকে দিচ্ছেন?  আপনার ভালোবাসা দিয়ে নোংরা লালসার প্রতি কেন আকৃষ্ট করছেন? কেন অন্য স্বার্থবান পুরুষের কাছে নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন ?

এটা কি আপনার স্বামীর প্রাপ্য ছিল না? তিনি কি আপনাকে স্বসম্মানে গ্রহণ করতেন না?  তিনি তো মোহরানা দেবেন। তবে তিনি কেন ব্যবহারিক পণ্য পাবেন?  আপনি কি স্বামী সন্তানকে নিয়ে জান্নাতে সংসার পেতেন না কিন্তু এখন..?

প্রিয় বোন!
শুনুন!! ইসলাম সর্বযুগে আমাদের জন্য উন্নত ও রুচিশীল ব্যবস্থাপনা নিয়ে এসেছে। প্রাপ্ত বয়স হলেই আপনাকে পর্দা ও বোরকার সহীত চলতে হবে। মুখ সর্বদা আবৃত রাখতে হবে। কোন যুবকের ভালোবাসার ফাঁদে বন্ধুত্বের ছলনায় পড়া যাবেনা। স্বপ্ন পূরণে নিজেকে বিলিয়ে দেবেন না। সামাজিকতা অনলাইনে নোংড়ামী থেকে বাঁচতে ইসলামী ভাবধারা লালন করবেন। যখন বয়স আপনার ১৭,১৮ পার হচ্ছে তখন খুব সতর্ক থাকবেন।  যথাসম্ভব বিবাহকে গুরুত্ব দেবেন। আপনার প্রিয়তম আপনার শিক্ষা , ভবিষ্যৎ স্বপ্ন পূরণের সর্বোচ্চ সহযোগী হবে এটা মনে রাখবেন। বৈধভাবে সন্তান নিয়ে তাকে আদর্শবান বানান। সুশিক্ষায় গড়ে তুলুন। তবেই সুন্দর পৃথিবী আপনার জন্য অস্থায়ী জান্নাত এবং স্থায়ী জান্নাতের সুসংবাদ এনে দিতে পারে।
ইনশাআল্লাহ।

লেখক: ম্যানেজিং এডিটর-ইশাআতুল হক্ব মিডিয়া।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য