শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

সুস্থতার মূল ভিত্তি তিনটি : মুফতী মহিউদ্দীন কাসেমী


তামাদ্দুন২৪ডটকম: মানুষের জীবনে স্বাস্থ্যগত দিকটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেয়ার তাগিদ দিয়েছে। সবল ও সুস্থতাই ইসলামে কাম্য। শক্তিহীন মানুষ তেমন কোনো কাজে লাগে না। শারীরিক শক্তি আল্লাহ তাআলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেয়ামত। স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল। পৃথিবীর কোনো কিছুই ভালো লাগে না অসুস্থ ব্যক্তির। স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য সবসময় শরীর সুস্থ রাখার চেষ্টা করতে হবে। সুস্থ শরীর ও সুস্থ মন ব্যতীত ইবাদত করতেও ভালো লাগে না। তাই ইসলামে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পর্কে রয়েছে বিশদ আলোচনা। রাসুল সা. বলেন :
الْمُؤْمِنُ الْقَوِيُّ، خَيْرٌ وَأَحَبُّ إِلَى اللهِ مِنَ الْمُؤْمِنِ الضَّعِيفِ
‘দুর্বল মুমিনের তুলনায় শক্তিশালী মুমিন আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়’। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৬৬৪)

আল্লাহপাক তো মানুষ সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁর ইবাদতের জন্য। আর সুস্থ না থাকলে ইবাদত করা মুশকিল। সুস্থতা আল্লাহর পক্ষ হতে বিশেষ নেয়ামত। আমরা যদি এ নেয়ামতের মূল্যায়ন না করি তাহলে যেমন ব্যবহারিক জীবনে কাজকর্ম করার উদ্যমতা হারিয়ে ফেলব তেমনি প্রতিদিনের আবশ্যিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং ইবাদত-বন্দেগি আদায় করার শক্তি ও উদ্যমতা হারিয়ে ফেলব।
কুরআন মাজিদে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ অবশ্যই তাকে তোমাদের জন্য মনোনীত করেছেন এবং তিনি তাকে জ্ঞান ও স্বাস্থ্যে সমৃদ্ধ করেছেন।’ (সূরা বাকারা: ২৪৭)।
এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা জ্ঞান ও স্বাস্থ্যকে রাজত্ব ও নেতৃত্ব লাভের মানদণ্ড সাব্যস্ত করেছেন। কারণ জ্ঞান-প্রজ্ঞা, স্বাস্থ্য ও সুস্থতা ছাড়া কোনো কাজই সুচারুরূপে সম্পাদন করা সম্ভব নয়।
ইবনে আব্বাস রা. বলেন, রাসুলুল্লাহ সা. বলেন, ‘দুটি নিয়ামতের ব্যাপারে অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। নিয়ামত দুটি হল, সুস্থতা ও অবকাশ।’ (সহিহ বুখারি: ৬৪১২, মুসনাদে আহমদ: ২৩৪০)
অন্য হাদিসে নবী করিম সা. বলেন, অবশ্যই মানুষকে সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতার চেয়ে শ্রেষ্ঠ নিয়ামত আর কিছু প্রদান করা হয়নি।’ (সুনানে নাসায়ি: ১০৭২)।
ইবাদতে মনোনিবেশের জন্য দেহ ও মনের সুস্থতার প্রয়োজন অনিস্বীকার্য। যে কারণে ইসলামে সুস্থ থাকার জন্য উৎসাহ সৃষ্টি করা হয়েছে। নবীজি সা. বলেছেন, ‘দুর্বল মুমিনের তুলনায় শক্তিশালী মুমিন বেশি কল্যাণকর ও আল্লাহর কাছে বেশ প্রিয়। তবে উভয়ের মধ্যে কল্যাণ রয়েছে। (সহিহ মুসলিম: ৬৯৪৫)।

অপর হাদিসে মহানবী সা. বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যুষে সুস্থতা নিয়ে ঘুম থেকে ওঠে, বাসায় নিরাপদে থাকে এবং সারা দিনের খাদ্যসামগ্রী তার নিকট মজুদ থাকে তাহলে তাকে পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ দেয়া হয়েছে।’ (সুনানে তিরমিজি: ২৩৪৬)। রাসুলুল্লাহ সা. আরো ইরশাদ করেন, ‘হে আমার উম্মত! পাঁচটি সম্পদ হারানোর আগে তার যথাযথ মূল্যায়ন করো: ১. মারা যাওয়ার আগেই তোমার জীবনের প্রতি মুহূর্তকে কাজে লাগাও। ২. বুড়ো হওয়ার আগে যৌবনকে কাজে লাগাও। ৩. দারিদ্র্যের আগে সচ্ছলতার মূল্য দাও। ৪. অসুস্থতার আগে সুস্থতার মূল্য দাও। ৫. ব্যস্ততার আগে অবসরকে কাজে লাগাও।’ (মুসতারেকে হাকিম : ৭৮৪৬)

হাদিসে পাঁচটি অমূল্য সম্পদ হারানোর পূর্বে এগুলোর মূল্যায়ন করার কথা বলা হয়েছে। এর অন্যতম হচ্ছে স্বাস্থ্য ও সুস্থতা। ইসলাম স্বাস্থ্য সুরক্ষার জোরালো তাগিদ দিয়েছে। সুস্থতার মূল ভিত্তি হল তিনটি বিষয়। এ তিনোটি বিষয় সরাসরি কুরআনে কারিমে আল্লাহ তাআলা বলে দিয়েছেন।

প্রথম ভিত্তি : নিজের সুস্থতা রক্ষা করা, অতিরিক্ত ভক্ষণ না করা, নেশাজাতীয় দ্রব্য হারাম করা, এবং এমন কোনো খাবার গ্রহণ করা যাবে না যার কারণে সুস্থতা বিনষ্ট হতে পারে। উপরন্তু পরিমিত ও সময়ানুগ খাবার গ্রহণ ইত্যাদি তো আছেই। এসবের ভিত্তি হল কুরআন পাকের এ আয়াত :
كُلُوا وَاشْرَبُوا وَلَا تُسْرِفُوا
অর্থ : তোমরা খাও এবং পান করো, তরে অপচয় করবে না। (সূরা আরাফ : ৩১)

দ্বিতীয় ভিত্তি : স্বাস্থ্য রক্ষার পরপরই ইসলাম রোগ প্রতিরোধের প্রতি জোর তাগিদ দিয়েছে। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাগ্রহণ করতে উৎসাহিত করেছে। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের স্লোগান হচ্ছে : Prevension is better than cure (চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধ উত্তম)। এ জন্য যে জিনিসগুলোর কারণে মানুষের রোগ হয় ইসলাম আগেই সেগুলোকে নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। সুস্থ থাকাকালীন, অসুস্থতার সময় এবং অসুস্থতা পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ সর্বাবস্থায় এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যার কারণে রোগ দেখা দিতে পারে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন :
وَإِنْ كُنْتُمْ مَرْضَى فَلَمْ تَجِدُوا مَاءً فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا
অর্থ : যদি তোমরা অসুস্থ হও আর তখন পানি না পাও, তাহলে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করো। (সূরা নিসা : ৪৩, সূরা মায়েদা : ৬)
অসুস্থাবস্থায় পানি দ্বারা অজু করলে রোগ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে তায়াম্মুম করার নির্দেশ দিয়েছে কুরআন। এর দ্বারা প্রমাণিত হয়, রোগ হওয়ার এবং রোগ বাড়ার আশঙ্কা থাকে এমন কোনো কাজ করা নিষিদ্ধ। রাসুল সা. কোষ্ঠরোগীর কাছে যেতে বারণ করেছেন। যেন তার থেকে রোগ সংক্রমিত না হয়। একবার রাসুল সা. এর সাথে হযরত আলী রা. খাচ্ছিলেন; তখন আলী রা. মাত্র অসুস্থতা থেকে সুস্থ হয়েছেন। তাই রাসুল সা. তাঁকে বললেন, এই খাবার খাও তবে খেজুর খেয়ো না।

তৃতীয় ভিত্তি : শরীরে ক্ষতিকর কিছুর অনুপ্রবেশ ঘটলে দ্রুত পরিত্রাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তা দূরীভূত না হলে চিকিৎসাগ্রহণ করেও হয়তো কোনো উপকার পাওয়া যাবে না। হযরত কা’ব ইবনে উজরা রা. এহরাম বাধা অবস্থায় ছিলেন, তখন তাঁর মাথায় অস্বাভাবিক উঁকুন দেখা দেয়। এমতাবস্থায় আল্লাহ পাক নির্দেশ দেন :
فَمَنْ كَانَ مِنْكُمْ مَرِيضًا أَوْ بِهِ أَذًى مِنْ رَأْسِهِ فَفِدْيَةٌ مِنْ صِيَامٍ أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍ
অর্থ : ইহরাম অবস্থায় তোমার কেউ যদি অসুস্থ হয় বা মাথায় ক্লেশ থাকে, তবে সে যেন রোযা, সদকা অথবা কুরবানি দ্বারা এর ফিদয়া দেয়। (সূরা বাকারা : ১৯৬)
মাথার ময়লা না সরালে উুঁকন সরবে না। তাই এহরাম ভেঙে মাথা মুণ্ডাতে নির্দেশ দিল কুরআন। এর দ্বারা প্রমাণিত হয়, রোগের উৎস ও উপকরণ দূর করা আবশ্যক।

চিকিৎসাগ্রহণও সুন্নত
সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার পরও যদি কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে তবে তার করণীয়ও ইসলাম নির্দেশ করেছে। একজন মুসলিম নিজে বা তার পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে প্রথমে সে আল্লাহর রহমত প্রত্যাশা করবে। আল্লাহ রোগ দিয়েছেন তিনিই সুস্থতা দান করবেন- এ বিশ্বাস সুদৃঢ় করতে হবে। তবে আল্লাহর ওপর ভরসার পাশাপাশি ব্যবস্থাপত্র গ্রহণ করাও ইসলামের শিক্ষা। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপদ্ধতি অবলম্বনের পরই আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করতে হবে। অসুস্থ হলে হাত-পা গুটিয়ে বসে থেকে যন্ত্রণা সহ্য করার নাম তাওয়াক্কুল নয়। রাসুল সা. নিজেও কিছু কিছু রোগের ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন।

কায়িক পরিশ্রম
জীবিকা নির্বাহের প্রতি ইসলামের পরিষ্কার নির্দেশনা রয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন :
فَإِذَا قُضِيَتِ الصَّلَاةُ فَانْتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللَّهِ
অর্থ : যখন নামায পড়া শেষ হয় তখন তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর রিজিক অন্বেষণ করো। (সূরা জুমুআ : ১০)
বিভিন্ন হাদীসেও শ্রমবিনিয়োগের কথা এসেছে। যেমন :
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمَّارٍ الْمُؤَذِّنُ قَالَ: سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيَّ، سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: خَيْرُ الْكَسْبِ كَسْبُ يَدَيِ الْعَامِلِ إِذَا نَصَحَ.
অর্থ : সাঈদ ইবনে আবী সাঈদ মাকবুরী হতে বর্ণিত, হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন : শ্রমজীবীর উপার্জনই উৎকৃষ্টতর, যদি সে সৎ উপার্জনশীল হয়। (আহমদ, মাজমাউজ জাওয়াইদ, চতুর্থ খণ্ড, লিল হায়সামি)

গতরে খেটে উপার্জন করা কোনো সম্মানহীনতার কিছু নয়। এটি কোনো লজ্জাজনক কিছুও নয়। বরং হালালভাবে উপার্জন করা ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত প্রশংসনীয় কাজগুলোর একটি। ইসলামের দ্বিতীয় স্তরের ফরজও এটি।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট একবার জিজ্ঞেস করা হলো : أَيُّ الْكَسْبِ أَطْيَبُ ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ, কোন ধরনের উপার্জন শ্রেষ্ঠতর?
তিনি উত্তর করলেন : كَسْبُ الرَّجُلِ بِيَدِهِ নিজের শ্রমলব্ধ উপার্জন।’ (আহমদ, তাবরানি, মাজমাউজ জাওয়াইদ, চতুর্থ খণ্ড, লিল হায়সামি)
এমন অসংখ্য জায়গা থেকে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি উদ্ধৃত করা যাবে। ইসলাম কর্মক্ষমদের বারবার কর্মের প্রতি উৎসাহ দিয়েছে। কর্মের উদ্দীপনা যুগিয়েছে। ইসলামের নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোষণা করেছেন :
مَا أَكَلَ أَحَدٌ مِنْ بَنِي آدَمَ طَعَامًا خَيْرًا لَهُ مِنْ أَنْ يَأْكُلَ مِنْ عَمَلِ يَدَيْهِ، إِنَّ نَبِيَّ اللهِ دَاوُدَ كَانَ يَأْكُلُ مِنْ كَسْبِ يَدَيْهِ
‘যে ব্যক্তি নিজের শ্রমের ওপর জীবিকা নির্বাহ করে, তার চেয়ে উত্তম আহার আর কেউ করে না। জেনে রাখ, আল্লাহর নবী দাউদ আলাইহিস সালাম নিজের শ্রমলব্ধ উপার্জনে জীবিকা নির্বাহ করতেন। (বুখারি, মিশকাত)
কায়িক ও দৈহিক পরিশ্রমই সুস্থ থাকার প্রধান ভিত্তি। এমন আরও অনেক আয়াত ও হাদিস আছে যেখানে মানুষকে পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা
শরীর অসুস্থ হয় অপরিষ্কার ও নোংরা খাবারের জন্য। সুস্থ থাকার জন্য চাই পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশের প্রতি ইসলামে বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। রাসুল সা. বলেন : ‘পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ’।
পরিবেশ দূষণের কারণে মানব সমাজে নানা রকম রোগ ছড়ায়। তাই ইসলামে সব কিছু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে নির্দেশ করেছে। রাসুলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, তোমরা তিন অভিশপ্ত ব্যক্তি থেকে বেঁচে থাক, যে পানির ঘাটে, রাস্তার ওপর ও গাছের ছায়ায় মলমূত্র ত্যাগ করে।’ (সুনানে আবু দাউদ: ২৬)
অন্য হাদিসে মহানবী সা. বলে, তোমরা বাড়ির আঙ্গিনা সবদিকে পরিস্কার রাখবে। এহুদিদের অনুকরণ করবে না। তারা তো বাড়িতে আবর্জনা জমা রাখে।’ (সুনানে তিরমিজি: ২৭৯৯)

অতি ভোজন
আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘তোমরা আহার করো ও পান করো কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয় তিনি অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না।’ (সুরা আরাফ: ৩১)
রাসুলুল্লাহ সা. বলেন, পেটের এক তৃতীয়াংশ খাদ্য দ্বারা, এক তৃতীয়াংশ পানীয়ের জন্য এবং এক তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য খালি রাখবে।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ৩৩৪৯)

অলসতা ও কর্মহীনতা
মানুষের রোগ হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো মানুষের অলসতা ও কর্মবিমুখতা। রাসুল সা. দোয়া করেছেন ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে অলসতা হতে পানাহ চাই।’ উচ্চ রক্তচাপ, ব্লাড প্রেসার, ডায়বেটিস, শ্বাসজনিত প্রদাহ—এসব রোগের প্রধান উত্স মূলত আলস্য ও কর্মবিমুখতা।
এ ছাড়াও বিভিন্ন হাদিসে যেমন ইবাদত, ঘর-সংসার ইত্যাদি করতে বলা হয়েছে তেমনি স্বাস্থ্যের প্রতিও খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে। কারণ শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক স্বস্তির ওপরই কাজকর্ম, ঘর-সংসার এবং ইবাদত-বন্দেগি নির্ভরশীল। অতএব শরীরচর্চা ও সুস্থতার প্রতি যত্নবান হওয়া আমাদের দায়িত্ব।

লেখক: মুহতামিম-মাদরাসাতুল মানসুর বাংলাদেশ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য