শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

আজ আপনাদের শূন্যতা প্রচন্ডভাবে অনুভব করছি। মুফতী মুরতাজা হাসান ফয়েজী মাসুম



তামাদ্দুন২৪ডটকম: আমার পড়ালেখার সিংহভাগ সময় কেটেছে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি মারকাজ জামিয়া হোসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদে। আরজাবাদ এর জাতীয় মারকাজ হিসেবে প্রসিদ্ধি অর্জনে যাদের নাম ওতপ্রোত জড়িয়ে, তাদের শীর্ষতম হলেন মুজাহিদে মিল্লাত আল্লামা শামসুদ্দিন কাসেমী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৯৯৬ সালে অক্টোবরের এইসময় বাতিলের আতংক আল্লামা কাসেমীকে হারিয়ে তৌহিদী জনতা শোকেকাতর ছিল।

গত কয়েকদিন চরম ব্যস্ততায় হযরতকে নিয়ে আমার শৈশব ও কৈশোরের অবিস্মরণীয় অতীত নিয়ে কিছু লেখায় সুযোগ হয়ে ওঠেনি। আজ লেখার ইচ্ছা থাকলেও ভোলা বোরহানুদ্দিনের নবীপ্রেমি তৌহিদি জনতার ওপর অমানবিক ও পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ এবং নজিরবিহীন নির্যাতন আমাকে ক্ষুব্ধ ও বাকরুদ্ধ করেছে। এমন প্রতিকূল ও ক্রান্তিকালে তীব্রভাবে মনে পড়ছে আল্লামা শামসুদ্দিন কাসেমী রহ. শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক রহ. এবং মুফতি ফজলুল হক আমিনী রহ. এর মতো ক্ষণজন্মা বীর সিপাহসালারগণকে।

হে আল্লাহ! তুমি তাদেরকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করো এবং আমাদের মাঝে তাদের মত বীর সিপাহসালার তৈরি করে দাও।

লেখক: প্রিন্সিপাল-মারকাজু ফয়েজিল কুরআন, মিরপুর-১,ঢাকা। ১২১৬। খতীব: গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য