শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাপকাঠি। মাও.খালিদ সাইফুল্লাহ



আমার দৃষ্টিতে কোন প্রতিষ্ঠানে তিনটি বিষয় যথাযথ বাস্তবায়ন করা গেলে সেই প্রতিষ্ঠানটি হয়ে উঠবে মানসম্মত ও আদর্শ প্রতিষ্ঠান।

১.তালিম ও তারবিয়াত (শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ)
একটি প্রতিষ্ঠানের সর্বপ্রথম যে বিষয়টা লক্ষনীয় সেটা হচ্ছে ছাত্রদের জীবন ও চরিত্র গঠনের লক্ষে তাদের গৃহিত কার্যাবলী। পড়ালেখা ও চরিত্র গঠনের লক্ষে একজন যোগ্যতা সম্পন্ন প্রধানের অধীনে যোগ্য, দক্ষ, মেধাবী ও চরিত্রবান শিক্ষকের তত্বাবধানে শিক্ষা কারিকুলাম পরিচালনা এবং আহলুল্লাদের তত্বাবধানে চরিত্র গঠনের লক্ষে তারবিয়াত প্রদান।যদি কোন প্রতিষ্ঠান উপরোক্ত বিষয়টা যথাযত বাস্তবায়ন করতে পারে তাহলে তারা তাদের প্রতিষ্ঠানকে সফলতার ৫০% এগিয়ে নিয়েছে বলে আপনি ধরে নিতে পারেন।

২. হোস্টেল ব্যবস্থাপনা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
সময়ের প্রয়োজনে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের জন্য আবাসিক ব্যবস্থাপনা করা অপরিহার্য হয়ে পরেছে(যদি কেহ অনাবাসিক ভাবে পড়াতে পারে সেটা সর্বোত্তম)।
বাচ্চারা আবাসিক থাকার কারনে তাদের জীবনের প্রাথমিক ধাপটা কেটে যায় মা-বাবার সংস্পর্শহীন। এই বিষয়টা মাথায় রেখে যদি প্রতিষ্ঠান তার ছাত্রদের উন্নত, পরিচ্ছন্ন এবং সুশৃঙ্খল জীবন যাপনে অভ্যস্থ করনের লক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে সক্ষম হয় তাহলে সে প্রতিষ্ঠান আরো ২৫% সফলতার পথে অগ্রসর হয়েছেন বলে আমি মনে করি।

৩.খাবার
এই বিষয়টা নিয়ে আমার আপত্তি সবচেয়ে বেশি। কিছু প্রতিষ্ঠান প্রদান আছে যারা লোভী শ্রেণীর। তারা বাচ্চাদের খাবার বিষয়টা যথেষ্ট অবহেলা করে থাকেন। নিজের অার্থিক অবস্থা মজবুত করনের লক্ষে বাচ্চাদের খাবার বিষয়ে উদাসিন থাকে।বাচ্চাদের রুচির প্রতি কোন ধরনের খেয়াল করা হয়না।অামি ঐ সকল প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বলব আল্লাহকে ভয় করুন।এর চেয়ে বেশি আর কিছু বলব না।যদি এই বিষয়টাও আন্তরিকতার সাথে আন্জাম দেয়া হয় তাহলে প্রতিষ্টানটি সফলতার বাকী ২৫% ও সম্পন্ন করতে পেরেছে বলে আমি মনে করি।

জবাবদিহিতাঃ বন্ধুবর হাফেজ মাওলানা নাজির ফাহিম ভাই। আমার একজন অন্যতম সহযোদ্ধা বন্ধু।যার সাথে দীর্ঘদিনের পথচলা।একজন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী তারুন আলেম। মারকাযুন নুর ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল। সব বন্ধুদের মুখে প্রতিষ্ঠনটির সুনাম শুনেছি উপরোক্ত তিনটি বিষয়সহ অানুসঙ্গিক অন্নান্য বিষয়েও।
কিন্তু স্বচক্ষে দেখার সুযোগ হয়নি এতোদিন।তাই বন্ধুবান্ধবদের অনেকে মাদরাসার বিভিন্ন বিষয়ে সুনাম বর্ননা করলেও আমি বরাবরই চুপ থেকেছি।কারন, এই সকল বিষয়ে স্বচক্ষে না দেখে কোন মন্তব্য না করাই আমার অভ্যাস। আজ একরকম যেচে নিজ থেকে উপস্থিত হলাম মাদরাসায়। দীর্ঘ সময় অবস্থান করে উপরোক্ত বিষয়গুলো যাচাইয়ের চেষ্টা করলাম সকলের অগোচরে।আলহামদুলিল্লাহ, আমার দৃষ্টিতে সেখানে সবগুলো বিষয়ে যথাযত পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়।
তাই, আমি নির্দিধায় বলছি মারকাযুন নুর ইন্টারন্যাশনাল মাদরারাসা একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

লেখক: যুবনেতা- ইসলামী যুব আন্দোলন, কুমিল্লা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য