শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ এর পরিচিতি


তামাদ্দুন২৪ডটকম:
মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ এর পরিচিতি
#সংগঠনের নাম;
মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ
#প্রতিষ্ঠাকাল; জানুয়ারী, ২০১৭ ইংরেজি।

#উপদেষ্টা পরিষদ
প্রধান উপদেষ্টা ;
• শাইখুল হাদীস আল্লামা হাফেজ জুনায়েদ বাবুনগরী দামাত বারাকাতুহুম
সিনিয়র উপদেষ্টা;
• শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ দামাত বারাকাতুহুম
উপদেষ্টা ;
• শাইখুল হাদীস আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী দামাত বারাকাতুহুম
• মাওলানা কারী আতাউল্লাহ হাফেজ্জী দামাত বারাকাতুহুম
• ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন দামাত বারাকাতুহুম
আন্তর্জাতিক স্কলার।
• মাওলানা ওবায়দুল্লাহ হামযা দামাত বারাকাতুহুম
আন্তর্জাতিক স্কলার
• মাওলানা সালাউদ্দিন জাহাঙ্গীর দামাত বারাকাতুহুম
আন্তর্জাতিক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব
প্রতিষ্ঠাতা ও আমীর ;
মাওলানা মুফতি শামীম আল-আরকাম দামাত বারাকাতুহুম।
মহাসচিব;
হাফেজ মাওলানা শরীফ উল্লাহ তারেকী দামাত বারাকাতুহুম।

ভুমিকা ;
সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর। যিনি আমাদেরকে সর্বোৎকৃষ্ট সৃষ্টি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সুস্পষ্ট কল্যাণের পথে হিদায়াত দান করেছেন। ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় দিয়ে সম্মানিত করেছেন। সাইয়্যেদুল আম্বিয়া মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত হিসেবে মনোনীত করেছেন। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের আদর্শে বিশ্বাসী হওয়ার মানষিকতা দান করেছেন। ব্যক্তি, পারিবারিক,সামাজিক ও রাস্ট্রীয় জীবনের সর্বত্র আখেরী পয়গম্বর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবা আজমাইনের জীবনাদর্শ প্রচার, প্রসার ও প্রতিষ্ঠা করার দৃঢ়প্রত্যয়ে 'মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ' এর সাথে সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য মনোনীত করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ।
বর্তমানে সমাজ ও রাস্ট্রের সর্বত্র ইসলাম তথা কুরআন সুন্নাহর নানামূখী অপব্যখ্যায় সাধারণ মুসলমানগণ চরম বিভ্রান্তিতে নিমজ্জিত । ইসলাম সম্পর্কে একেক আলেমের একেক ব্যখ্যা- বিশ্লেষণে তারা প্রকৃত ঈমানের স্বাদ হতে বঞ্চিত প্রায়। বই,পুস্তক, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়া, অনলাইন-অফলাইনে প্রদর্শিত ওয়াজ-মাহফিল, সভা-সেমিনার ও মসজিদের খুতবায় নানা আলেমের নানা আকিদা ও তরীকাভিত্তিক দাওয়াত- তারবিয়াতে তাদের মনে প্রতিনিয়তই প্রশ্ন জাগে; তাঁরা কোন আলেমের অনুসরণ করবেন? কোন আকিদায় বিশ্বাসী হবেন? কোন তরীকায় নিজের ঈমান আমল পরিচালিত করবেন?
যদিও এসব প্রশ্নের জবাব খুবই সুস্পষ্ট। কেননা রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জীবদ্দশায় এসব প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে ইরশাদ করেন-
বনী ইসরাঈল বাহাত্তর ভাগে ভাগ হয়েছিল। আমার উম্মত ভাগ হবে তিয়াত্তর দলে। এদের প্রত্যেকেই জাহান্নামী হবে। কিন্তু একদল ব্যাতীত। সাহাবায়ে কেরাম রাদিআল্লাহু আনহুম জানতে চাইলেন- ইয়া রাসুলাল্লাহ, সে একদল কারা? জবাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- সে একদল হল আমি এবং আমার সাহাবাদের দল। [ মিশকাত পৃষ্ঠানং-৩০ ]
সাহাবা রাদিআল্লাহু আনহুমদের ফযীলত;
কুরআনুল কারীমের সুরা ফাতাহ'র শেষ আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা ইরশাদ করেন-
মুহাম্মাদ [ সা.] আল্লাহর রাসূল এবং তার সাথে যারা আছে তারা কাফিরদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর। তারা একে অপরের প্রতি সদয়। তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদারত অবস্থায় দেখতে পাবে। তারা আল্লাহর করুণা ও সন্তুষ্টির অনুসন্ধান করে। তাদের নিদর্শন হল; তাদের চেহারায় সিজদার চি‎হ্ন দেখবে। এটাই তাওরাতে তাদের দৃষ্টান্ত। আর ইনজীলে তাদের দৃষ্টান্ত হলো; একটি চারাগাছের মত, যা হতে অঙ্কুর উদগত হয় এবং শক্ত হয়, অতঃপর তা পুষ্ট হয় এবং তা স্বীয় কান্ডের উপর মজবুতভাবে দাঁড়ায়। যা চাষীকে আনন্দ দেয়। যাতে তিনি তাদের দ্বারা কাফিরদেরকে ক্রোধান্বিত করতে পারেন। তাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরজন্য ক্ষমা ও মহাপ্রতিদানের ওয়াদা করেছেন। [ সুরা ফাতাহ- ২৯ ]

#উদ্দেশ্য: দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতের মুক্তি লাভের জন্য আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি অর্জন।
লক্ষ্য: সমাজের সর্বত্র রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর প্রিয় সাহাবা আজমাইনের মত ও পথের সঠিক বাস্তবায়ন করা।
#সংগঠনের বৈশিষ্ট্য ; দেশের একমাত্র শানে সাহাবা রাযি. সংগঠন।

#সাংগঠনিক কর্মসূচীর পরিধি ; সমগ্র বাংলাদেশ।
#সংগঠনের ধরণ;
তালীম ও দাওয়াত ভিত্তিক সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন ।
#সংগঠনের অর্থনৈতিক উৎস;
ক) সদস্য ও দায়িত্বশীলগণের এয়ানত ( ঐচ্ছিক, ফী সাবিলিল্লাহ )
খ) সূধীজনদের দান ( ফী সাবিলিল্লাহ )

#সদস্য হওয়ার যোগ্যতা ;
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতে বিশ্বাসী যে কেউ।

১) তালীম;
প্রকৃত ইসলামকে জানতে কুরআন হাদীসের পাশাপাশি রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবা আজমাইনের জীবনাদর্শ ভিত্তিক গ্রন্থপাঠ। সাহাবা আজমাঈন সম্পর্কে কুরআনে বর্ণিত আয়াত ও হাদীসসমূহ জেনেবুঝে মুখস্থকরা। পাশাপাশি অন্যকেও এর তালীমদানে পদক্ষেপ নেয়া। প্রতিদিন অন্তত একজন সাহাবীর জীবনী বুঝেশুনে অধ্যয়ন করা।
২) তারবীয়াত বা প্রশিক্ষণ ;
সাহাবা আজমাঈন সম্পর্কীয় কুরআনের আয়াত, হাদীস এবং অন্যান্য গ্রন্থসমূহ নিজথেকে বুঝার চেষ্টা না করে এক্ষেত্রে বিজ্ঞকোন আলেমথেকে তালীম বা প্রশিক্ষণ গ্রহণকরা। একইভাবে কাউকে দাওয়াত দিতেও সাংগঠনিক সিনিয়র দায়িত্বশীল বা বিজ্ঞকোন আলেমথেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণকরা।
৩) দাওয়াতঃ-
প্রকৃতদ্বীন মানতে বিশুদ্ধ আকিদা মানা প্রথম এবং প্রধান শর্ত। আর একমাত্র বিশুদ্ধ আকিদা হল রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর প্রিয় সাহাবা আজমাঈনের মত ও পথ। মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ এর লক্ষ্য হল; হিদায়াতের উদ্দেশ্যে দাওয়াতের মাধ্যমে দলমত নির্বিশেষে মানুষকে রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবা আজমাঈনের জীবনাদর্শে উদ্ভুদ্ধ, অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করা।
#দাওয়াতের ধরণ;
ক) ব্যক্তিগত দাওয়াত খ) সম্মিলিত দাওয়াত গ) মসজিদ ভিত্তিক তালীম ও আলোচনা ঘ) ওয়াজ মাহফিল ঙ) সভা সেমিনার চ) টেবিলটক আলোচনা ছ) স্কুল ও মাদরাসা ভিত্তিক শানেসাহাবা সাধারণ জ্ঞান, বক্তব্য ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন।
জ) ছোটদের নিয়ে শিক্ষামুলক অনুষ্ঠান সাহাবীদের গল্প অনলাইনে সাহাবাদের জীবনাদর্শ প্রচার। ঞ) ইত্যাদি
৪) সংগঠন;
মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যেরপ্রতি আগ্রহী সংগঠন, প্রতিষ্ঠান, দল এবং ব্যক্তিদেরকে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ-এর ব্যানারে সংঘবদ্ধ করা।
৫) ঐক্য;
ইসলামের সুমহান আদর্শের ভিত্তিতে গণমানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সংহতি সৃষ্টির চেষ্টা করা। ছোট ছোট বিষয়ে মতানৈক্য এড়িয়ে বৃহত্তর স্বার্থে মুসলমানদের পরস্পরে সম্প্রীতি সৃষ্টি করা।
৬) শিক্ষা সংস্কার;
মাদরাসা, স্কুল ও কলেজ শিক্ষাব্যবস্থায় প্রতিটি ক্লাসে রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবা আজমাঈনের জীবনাদর্শভিত্তিক নৈতিক সিলেবাস প্রণয়নে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মনোযোগ আকর্ষণ করা। প্রতিক্লাসে অন্তত একজন মহান সাহাবীর জীবনী অন্তর্ভুক্ত করার দাবীকে তরান্বিত করা।
৭) মানবসেবা;
সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের সেবা, জালিমের প্রতিরোধ এবং মজলুম মানুষের অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা। অবহেলিত ইমাম ও আলেম সমাজের পক্ষে বলিষ্ঠ কন্ঠস্বরে কথা বলা। আহলেহক ওলামায়ে কেরামের মধ্যথেকে যোগ্য ও দক্ষ বেকারদেরকে মাদরাসা শিক্ষক,মসজিদের ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিন পদে নিয়োগে প্রচেষ্টা করা। বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণে ভুমিকা রাখা।
৮) অমুসলিম বা সংখ্যালঘুদের অধিকার;
অমুসলিম বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জান-মাল এবং ইজ্জতের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতাসহ সকল প্রকার নাগরিক অধিকারের নিশ্চয়তা বিধানে সচেষ্ট হওয়া।

#সাংগঠনিক কাঠামো;
মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় কাঠামোতে রয়েছে-
ক) দেশের শীর্ষ ওলামায়ে কেরামদ্বারা গঠিত বিজ্ঞ উপদেষ্টা পরিষদ।
খ) একজন আমীর
গ) কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা ( জাতীয় পরামর্শ পরিষদ)
ঘ) কেন্দ্রীয় মজলিসে আমেলা ( জাতীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ)
ঙ) ইউনিট, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, থানা, উপজেলা, পৌরসভা, জেলা ও বিভাগীয় কমিটি।
মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ এ যোগ দিন।
সাহাবাদের অনুসরণে রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি, দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতে মুক্তির পথকে সুগম করুন।
বিস্তারিত তথ্য জানতে যোগাযোগ;
মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ
মাদানীনগর, ঢাকা।
০১৮১৮-০৮৭৪৭৭


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য