শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

আলেমদেরকে সাধারন জনগণের ইসলাহের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে: মাওলানা শহীদুল ইসলাম ফারুকী


তামাদ্দুন২৪ডটকম: উচ্চতর ইসলামী শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান–শায়খ আবুল হাসান আলী নদভী ইসলামিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং শায়খ নদভী রহ. প্রতিষ্ঠিত সামাজিক ও মানবিক সংগঠন–পয়ামে ইনসানিয়াত বাংলাদেশের আমীর মাওলানা শহীদুল ইসলাম ফারুকী বলেছেন, ‘আলেমদেরকে সাধারন জনগণের ইসলাহের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। কারন সাধারন জনগণ ক্রমশ ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, বরং ইসলামের প্রতি দিন দিন বীতশ্রদ্ধ হচ্ছে। এর একমাত্র কারন সাধারন শিক্ষাব্যবস্থা ইসলামের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। এই শিক্ষা গ্রহন করে তারা দীনের প্রতি আগ্রহী তো হচ্ছেই না, বরং ইসলাম সম্পর্কে আরো ভুল ধারনার শিকার হচ্ছে। তাই আলেমদেরকে মাদরাসা মসজিদ বৃদ্ধির পাশাপাশি সাধারন শিক্ষাব্যবস্থার ইসলামীকরণের আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। কারন আমাদের সমাজের নিরানব্বই ভাগ মানুষ সাধারন শিক্ষায় শিক্ষিত। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের শিক্ষাব্যবস্থা ইসলামবান্ধব না হলে সমাজও ইসলামবান্ধব হবে না।

শুক্রবার বাদ জুমা ফরিদপুর শহরস্থ দারুল কুরআন মাদরাসার উদ্যোগে আয়েজিত এক উলামা সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উক্ত সম্মেলনে ফরিদপুরের শীর্ষস্হানীয় আলেম উলামাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের উলামায়ে কিরাম উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন হযরত মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক নদভী।

মাওলানা ফারুকী আরো বলেন, আলেমগণ নবীর ওয়ারিস। নবী ছিলেন সকলের জন্য রহমত। আলেমদেরকেও সকলের জন্য রহমত হতে হবে। আকাশ ও সাগরের মতো উদার হতে হবে। মসজিদ মাদরাসার খেদমতের পাশাপাশি সাধারন জনগণের ইসলাহের ফিকির করতে হবে। নফসের ইসলাহের পাশাপাশি সমাজ ও সমাজের মানুষের চিন্তা-ফিকিরেরও ইসলাহ করতে হবে। ইসলাহ একটি ব্যাপক শব্দ। এই ব্যাপক অর্থেই ইসলাহ ও সংস্কারের কাজ আন্জাম দিতে হবে। যুগপৎ দাওয়াত, তা’লীম, ইসলাহ ও খেদমতে খালকের কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে আলেমদেরকে।

বাদ মাগরিব মাওলানা ফারুকী ফরিদপুরের সর্ববৃহৎ ও সর্বপ্রাচীন দীনি প্রতিষ্ঠান শামসুল উলূম মাদরাসার জালালাইন, মিশকাত, দাওরা ও তাখাসসুসের ছাত্র ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে ‘আল-ইসতিশরাক ওয়াল মুসতাশরিকূন’ (প্রাচ্যবাদ ও প্রচ্যবিদ) শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ মুহাযারা পেশ করেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য