শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

জমে উঠেছে ইসলামী বইমেলা




তামাদ্দুন২৪ডটকম:

গত ২২ নভেম্বর শুক্রবার বিকাল ৩টা থেকে রাত ৭টা পযন্ত ইসলামি বইমেলায় অনুষ্ঠিত হয় বই উৎসব। ক্যারিয়ার বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবে মধ্যমণি হয়ে উঠেছিলেন রেডিও একাত্তরের আলোকিত সুরের নন্দিত উপস্থাপক আরজে মামুন চৌধুরী।

হঠাৎ দেখা গেল তারুণ্যের আইডল খ্যাতিমান লেখক ও আলোচক মুফতি হাবীবুর রহমান মিছবাহকে।

কিছুক্ষণ পরে এলেন বিশিষ্ট লেখক সম্পাদক জিয়াউল আশরাফ, ইনসাফ টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক সাইয়্যেদ মাহফুজ খন্দকার, মাসিক রাহমানী পয়গামের এহসানুল হক, জমিয়তের মাহফুজুর রহমান ইয়াসিন, কওমি স্কলারের বায়জিদ, কবি মাহমুদুল হক জালীস, শিল্পী মশিউর রহমান, কবি নুরুল ইসলাম হেলাল, বুয়েটছাত্র কাওসারসহ বেশ কয়েকজন লেখক-সম্পাদক-শিল্পী-আবৃত্তিকার। এসকল গুণী ও তারকাপ্রতিভার উপস্থিতিতে মেলাপ্রাঙ্গণ মুহূর্তেই লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে।

ক্যারিয়ার চেয়ারম্যান মুফতি আফজাল হুসাইনের সঞ্চালনায়
উৎসবে ছিল কবিতা আবৃত্তি, কুইজ প্রতিযোগিতা, ও লেখক-পাঠক-প্রকাশকদের আলোচনা।

কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীসহ ৫০জনকে বই উপহার হিসাবে তুলে দিয়েছেন গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স, সমকালীন, মাকতাবাতুল হাসান।
অনুষ্ঠানে আরো ‍উপস্থিত ছিলেন গার্ডিয়ানের নুর মোহাম্মদ, সমকালীনের আখছারুল হক আনাস, রুহামার আকরাম হুসাইন, মীনা প্রকাশনীর ওসমান গনী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটির লোগো স্পন্সর ছিলেন ফ্রেন্ডস প্রিন্টিং সলিউশনের স্বত্ত্বাধিকারী মুফতি রেজওয়ানুল বারী সিরাজী।
মিডিয়া পার্টনার ছিলো রেডিও ৭১ ৯৮.৪ এফএম।
ব্যবস্থাপনা সহযোগী ছিলো সৈয়দ আহমদ শফী আশরাফী।

উল্লেখ্য, বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ চত্বরে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এই বইমেলা চলবে ৯ ডিসেম্বর পযন্ত।
আপনার জ্ঞান সুধা মেটাতে আসতে পারেন এই মেলায়, সবান্ধব। মজার ব্যাপার, অনেক পাঠককে দেখা গেছে পছন্দের লেখক ও তারকা থেকে অটোগ্রাফ নিতে।

প্রতিদিন আসছেন লেখকরাও। এভাবে জমে উঠছে লেখক-পাঠক-প্রকাশক মিলনমেলা।
চলবে ৯ ডিসেম্বর পযন্ত। আসুন, ঘুরে দেখুন, বই কিনুন, আপনিও পেয়ে যেতে পারেন আপনার পছন্দের কল্পনার লেখককে, প্রিয় তারকাকে।

নোট: আগামী শুক্রবারও মেলা প্রাঙ্গণে থাকবে এই আয়োজন। কুইজ প্রতিযোগিতায় জিতলে পাবেন বইসহ ইনভাইটেশন কার্ড।
সেটা আবার কী? সেটা হলো রেডিও একাত্তরের আলোকিত সুরের ৪বছর পূর্তিউৎসবের আয়োজন। হবে ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯। শিল্পকলা একাডেমি, শেগুনবাগিচা, ঢাকায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য