শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

পবিত্র কুরআন মেনে চললে আমাদের পুলিশিং কার্যক্রমও সহজ-সাধ্য হয়ে যাবে। পুলিশ সুপার


কাওসার মাহদী: হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:তামাদ্দুন২৪ডটকম।

গতকাল শনিবার সিলেটের হবিগঞ্জে ছাতিয়ান ইউনিয়ন পরিষদ মুক্তমঞ্চে ছাতিয়ান এলাকাবাসীর উদ্যোগে দুই শতাধিক কুরআনের হাফেযকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।

ছাতিয়ান ইউপি চেয়ারম্যান শহিদ উদ্দিন আহাম্মদের সভাপতিত্বে হবিগঞ্জ দারুচ্ছুনাত কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক মুফতি আলমগীর হোসাইন সাইফির পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেন মনু, মাওলানা জালাল উদ্দিন ভ্ইূয়া, সৈয়দ মুজিবুল হোসাইন লিটন, শহিদুল ইসলাম বাবু, মাধবুপুর থানার অফিসার অফিসার ইনচার্জ কেএম আজমিরুজ্জামান, প্রধান শিক্ষক শেখ কামরুল ইসলাম, বায়েজীদ মিয়া, মাওলানা কাউছার আহমেদ প্রমূখ।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন;
মানবতার মুক্তির সনদ মহাগন্থ আল-কোরআন যুগে যুগে মানুষকে দিয়েছে সত্যের দিশা। অশান্ত পরিবেশকে করেছে শান্ত। কোরআন হচ্ছে সবচেয়ে বড় বিজ্ঞান, সবচেয়ে বড় রসায়ন, পদার্থ বিজ্ঞান, ভূগোল, রাষ্ট্র বিজ্ঞান ও ইতিহাস ইত্যাদি সমৃদ্ধ অলৌকিক ও অসাধারণ একখানা ঐশি গ্রন্থ ।
কি না আছে পবিত্র কোরআনে। কিন্তু এটা আমাদেরকে আত্মস্থ করতে হবে, বুঝতে হবে।

আমরা যে যে অবস্থায় আছি, যদি কোরআনের গাইড লাইন মেনে জীবন গড়ি তা হলে সমাজে বিশৃংখলা থাকবে না। সমাজে যত বিশৃঙ্খলা ও যত অশান্তি আছে তা দূর হবে। এবং পবিত্র কোনআন মেনে চললে আমাদের পুলিশিং কার্যক্রমও সহজ সাধ্য হয়ে যাবে।

তিনি বলেন পবিত্র কোরআন যারা ধারন করে লালন করে তাদের দ্বারা অন্যকেউ আঘাত প্রাপ্ত হতে পারেনা, আহত হতে পারেনা। মসজিদে জুতা চুরি হয়ে যায়। কোন মুসল্লি জুতা চুরি করতে পারে না। চোরেরা মুসল্লির লেবাস ধরে জুতা চুরি করে। আর সব দোষ চলে যায় মুসল্লিদের উপরে। তেমনই ইসলাম নামদারি জঙ্গিবাদরা কখনো মুসলমান হতে পারেনা। অমুসলিমরাই-মুসলমানের লেবাস ধরে জঙ্গি তৎপরাতা চালায়।

এ জন্য আমাদের যারা নিরীহ মুসলমান আছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরে, এ জঙ্গিবাদের সন্দেহের তীর এখন তাদের দিকে ঢেলে দিচ্ছে। আসলে একজন মুসলমানের কাছে যেমন তার শিশু নিরাপদ, তেমনি তার পরিবার, সামাজ ও রাষ্ট্র নিরাপদ এবং অন্য ধর্মাবলম্বী লোকজনও নিরাপদ। ইসলামের নাম নিয়ে একটি চক্র জঙ্গিবাদের কর্মকান্ড করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন পবিত্র কোরআনে হিজরতের কথা আছে। জিহাদের কথা আছে। এগুলোর সঠিক ব্যাখ্যা আছে। এগুলো বুঝে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন-হলি হার্টিজানে জঙ্গিবাদে কারা জড়িত ছিল তা আপনারা দেখেছেন। তারা ছিলেন ব্যয় বহুল ইউর্নিভাসিটির ছাত্র। অশ্লীল ভাবে চলাফেরার কারণে তারা পাপ কাজ বেশি করে ফেলে অত:পর তা থেকে সংশোধন হতে গিয়ে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ে।

তিনি বলেন-ইসলামের সঠিক পথে আমাদের চলতে হবে। সঠিক পথে চললে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে সুখ আসবে। এ ধরণের অনুষ্ঠানের, মাধ্যমে পবিত্র কোরআন এর হাফেজদের বিশাল গণ-সংবর্ধনা প্রদান করা, এটি একটি ব্যতিক্রম অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে যারা, তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।


অনুষ্ঠান শেষে সংবর্ধিত হাফেজদের হাতে পবিত্র কোরআন শরীফ ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। পরে সন্ধা থেকে শুরু হয় ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। চলে শেষ পর্যন্ত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য