শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

টাইফুনের আঘাতে ফিলিপাইনে ১৬ জনের প্রাণহানি

আমিন মুনশি : ফিলিপাইনে টাইফুন ফানফোনের আঘাতে এক শিশুসহ কমপক্ষে ১৬ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এখনও ৬ জন নিখোঁজ রয়েছে। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশটির মূল ভূখণ্ডে ও ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় পর্যটন এলাকায় টাইফুনটি আঘাত হানে। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি বাড়ি-ঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টাইফুন ফানফোনের সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৯৫ কিলোমিটার। প্রচণ্ড ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে বাড়ি-ঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ইন্টারনেট ও ফোন নেটও বন্ধ হয়ে গেছে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিতে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এতে ১৬ জন নিহত হয়েছে। দেশটি সংবাদমাধ্যম ইনকোয়ারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেইতে প্রদেশে দুইজন, ইলোইলো ও ক্যাপিজে আটজন এবং বিলিরানে একজন নিহত হয়েছে। সম্প্রচারমাধ্যম এবিএস-সিবিএন’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইলোইলোতে অন্তত ছয়জন নিখোঁজ রয়েছে। তবে এই সংখ্যা ১২ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা গেছে, ক্যাপিজ ও ইলোইলো প্রদেশের কিছু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, কালিবো বিমানবন্দরের ১শ মিটার এলাকায় বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বেশ কয়েকটি ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। এতে  বহু মানুষ বিপাকে পড়েছে। ট্যাক্সি চলাচল করলেও প্রচণ্ড ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টির কারণে লোকজন বিমানবন্দরও ছাড়তে পারছে না।

দেশটির প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে স্কুল, জিম ও সরকারি ভবনে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফেরি পরিষেবা বন্ধ থাকায় আটকা পড়েছেন হাজারও পর্যটক।  পুলিশ জানিয়েছে, গাছপালা উপড়ে বিভিন্ন শহরের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যার কারণে অনেক মানুষ আটকা পড়েছেন।

উল্লেখ্য, ফিলিপাইনে বছরে গড়ে ২০টি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। এতে প্রতি বছরই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়। ২০১৩ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় হাইয়ানের আঘাতে দেশটিতে সাত হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সূত্র: এএফপি, আল জাজিরা

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য