শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

ইজতেমার বয়ান


তামাদ্দুন ডেস্ক: আল্লাহ রব্বুল আলামীন সমস্ত মাখলুক সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তাআলার কাছে গোটা দুনিয়া হল মশার পাখার ন্যায়। কম দামি। আল্লাহ তাআলা মানুষের কামিয়াবির জন্য দ্বীন দান করেছেন। চাই আপনি ব্যবসা করেন, দোকান করেন, চাকরি করেন, কৃষিকাজ করেন, সবজায়গায় আল্লাহর দেওয়া দ্বীনকে জিন্দা করতে হবে। তাহলেই আপনি কামিয়াব হবেন। দ্বীন মানার মধ্যেই সমস্ত কামিয়াবি রয়েছে।

আল্লাহ তাআলা দ্বীনের মধ্যে মানুষের অসাধ্য কোনো কিছু চাপিয়ে দেন নাই। প্রত্যেকটা মানুষ দ্বীন মানার যোগ্যতা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে।
দ্বীন মানার জন্য মাহল বা পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সাহাবায়ে কেরাম আগে নিজের পরিবার এবং আশপাশকে দ্বীনের মাহল এবং দ্বীন মানার পরিবেশ হিসেবে তৈরি করেছেন। তাঁরা নিজের পরিবার পরিজনের পেছনে মেহনত করেছেন। তাদেরকে দ্বীনের ওপরে এবং শান্তির ওপরে ওঠানোর জন্য চেষ্টা ফিকির করেছেন।
এই জন্য আমরাও মেহনত করি নিজের পরিবারের মধ্যে দ্বীনকে জিন্দা করার জন্য।

দোস্তো বুজুর্গ, করনেওয়ালা যাত একমাত্র আল্লাহ তাআলা। কোনো মাখলুক কোনো কিছু করতে পারে না। আল্লাহ তাআলাই সবকিছু করেন। আল্লাহ তাআলার ইচ্ছা ব্যতিত কোনো কিছু হয় না। হওয়া সম্ভবও না। আমরা দ্বীনের লাইনে মেহনত করতে থাকি, আল্লাহ তাআলা আসান করে দিবেন।


দোস্ত বুজুর্গ, কয়েকটা বিষয়ের প্রতি আমাদের বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া দরকার।


১/ বেশি বেশি দাওয়াত দিতে হবে।
ভাই, এই দাওয়াত দেওয়ার দ্বারা সবচেয়ে বড় ফায়দা যেটা হবে সেটা হল, আমার নিজের দ্বীনের ওপরে চলা সহজ হয়ে যাবে। আমি যখন অপর ভাইকে কালিমার দাওয়াত দিবো, তখন আগে আমার ভেতরেই এই কালিমার হাকিকাত বসে যাবে।

এই জন্য দাওয়াত দেওয়ার ওপরে খুব গুরুত্ব দেওয়া চাই। দিবো তো ইনশাআল্লাহ?

২/ নিজের ঘরে তালীম চালু করতে হবে। প্রত্যেকদিন নির্দিষ্ট সময়ে যেন আমার ঘরে তালীম হয়। এর দ্বারা ঘরের মা-বোনেরা দ্বীনের ওপরে উঠবে। আর মা-বোনেরা দ্বীনের ওপরে উঠেগেলে আমার জন্য দ্বীন মানা সহজ হয়ে যাবে।

৩/ আমি নিজে মসজিদআবাদের মেহনতে জুড়ব।মসজিদে তালীম হয়, গাশ্ত হয় এবং এই ধরনের সমস্ত আমলগুলোতে শরীক হব। বেশি বেশি খুরুজে শিরকত করব।

দোস্ত বুজুর্গ, এইভাবে যখন আমি আর আপনি মেহনত করতে থাকব, তখন আমার জন্য দ্বীনের ওপরে চলা খুবই সহজ হয়ে যাবে। আমি দুনিয়াতেও কামিয়াব হয়ে যাব এবং আখেরাতে আমার জন্য বড় পুরস্কার রয়েছে।

শ্রুতিলিখন : মুহাম্মদ বিন ওয়াহিদ
সম্পাদক, ঈশান




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য