শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

প্রধানমন্ত্রী প্রতিষ্ঠিত দারুল আরকাম মাদ্রাসা এবং মউসিক প্রকল্পটি রাজস্ব খাতে নেওয়ার দাবি



উমর ফারুক তাহের: তামাদ্দুন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর হাতে গড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি ৭ম পর্যায়ে নেয়ার জন্য আবেদন করা হলেও প্রকল্পের জনবল নিয়োগে আউটসোর্সিং পদ্ধতি অবলম্বন করার খবরটি বেশ হতাশাগ্রস্ত করছে দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পে নিয়োজিত জনবলকে। দাবি আদায়ে এমনকি জেলায় জেলায় তারা রাস্তায় মানববন্ধন করছে। সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্মকান্ড ও শিক্ষা বিস্তারের লক্ষে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রকল্প পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করছে সরকার।

এ প্রকল্পে মসজিদের সম্মানিত ইমাম সাহেবরা শিক্ষাকেন্দ্রে শিশু শিক্ষার্থীদেরকে বাংলা, অংক, ইংরেজী, আরবী, নৈতিকতা ও মূল্যবোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা দিয়ে আসছেন।
দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলের সুবিধা বঞ্চিত শিশুরা এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষার্থীদের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রকল্পটির আওতায় অধিকাংশই সমাজের অবহেলিত, দরিদ্র ও নিরক্ষর জনগোষ্ঠিকে শিক্ষা দিয়ে আসছে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রে জানা গেছে, মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৭ পর্যায়) প্রকল্পটি চলতি বছর থেকে ডিসেম্বর ২০২৪ সালে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে প্রস্তাব করেছে। প্রকল্পটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫৫৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের পর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি ২০১৯-২০ অর্থবছরে এডিপিতে বরাদ্দহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কিন্ত প্রায় শতভাগ সফলতা অর্জনকারী জনবান্ধব ও গণমুখী এ বৃহত প্রকল্পটি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নে যারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বিশেষ করে যুগোপযোগী আলোড়ন সৃষ্টিকারী আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষকগণ তাঁদের ঐকান্তিক দাবি আসন্ন ‘মুজিব শতবর্ষে’ স্বাধীন বাংলার মহান স্থপতি শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান-এর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত অবশিষ্ট জনবলকে রাজস্ব খাতে নেয়া এখন সময়ের দাবি।

দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে চলে আসছে প্রকল্পটি। এ প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, সারাদেশে মসজিদ অবকাঠামো ব্যবহার করে মসজিদ নিকটবর্তী শিশুদের জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে প্রাক-প্রাথমিক ও কুরআন শিক্ষা দেয়া হয়। এর পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীর ভর্তির হার বৃদ্ধি ও শিক্ষাথীদের ঝরে যাওয়া রোধ করা হয় এর মাধ্যমে।

এছাড়া দেশের প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে ও যেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই সেখানে প্রতিষ্ঠিত রয়েছে যুগোপযোগী দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসা যা ইতোমধ্যে-ই ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়,পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক নির্দেশনার অপেক্ষায় চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করছে দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষকসহ নিয়োজিত হতাশাগ্রস্থ জনবল।

মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে তাঁদের আশা- দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে চলমান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু-এর হাতে গড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি আউটসোর্সিং নয় রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করে সকলের মুখে হাঁসি ফুটাবেন বলে আশা ব্যক্ত করেছেন নিয়োজিত দারুল আরকাম মাদ্রাসার শিক্ষক ও প্রকল্পের জনবল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য