শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

বিয়ে ছাড়া প্রেগন্যান্ট, অ্যাবরশনে গুনাহ!

জনৈক আব্দুল্লাহ : অনেক দিন আগে মাসিক রহমতে একটা লেখা পড়েছিলাম। মিরপুর-১৪ এ এক হুজুর আর এক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বাস থেকে নামে। হুজুর চলতে শুরু করলে পেছন থেকে ছাত্রী ডাক দেয়।

-এই হুজুর শুনুন!
-জি! আমাকে ডাকছেন?
-আপনাকেই তো! এখানে তো আর কোনো হুজুর নেই।
-জি! তাই তো! বলুন!
অ্যাবরশন করলে কী গোনাহ হয় না?
জি! গোনাহ হয়। একজন মানুষকে হত্যা করার সমান।
ওহ মাই গড! আমার তো বিয়ে হয়নি। বয়ফ্রেন্ডের মাধ্যমে অসর্তকতার কারণে প্রেগন্যান্ট হয়ে গেছি। ভাবছি, অ্যবরশন করলে কী বেশি গোনাহ হবে? আমি আমার সন্তানকে কীভাবে হত্যা করি।

-বিয়ে ছাড়া প্রেগন্যান্ট হওয়া তো গোনাহ, সেটা ভাবছেন না?
- আমাদের ভার্সিটির অনেকেই তো এমন করে? অসতর্কতার কারণে প্রেগন্যান্ট হলে অ্যাবরশন করে ফেলে।
-নাউজুবিল্লাহ। অ্যাবরশন করলে গোনাহ হবে কি না সেটা নিয়ে হয়রান হচ্ছেন অথচ বিয়ে ছাড়া ফিজিক্যালি সম্পর্কে যে পাপ হয় সেটা নিয়ে ভাবছেন না। হায় আল্লাহ...!

হুজুর হাঁটতে শুরু করছেন।

উপরে ঘটনার মত এমন কিছু বাস্তব কথা লিখেছেন, মাধবী তাপসী।
সারারাত নগ্ন হয়ে শুয়ে থেকে ইয়াবা সেবন করা মেয়েটি আমাকে বলছে তুমি কি কোনোদিন নামাজ পড়বা না?
উত্তরে বললাম না। মেয়েটি বলল,আমি নামাজ পড়িনা,কিন্তু মনের মধ্যে ইচ্ছে আছে ভাবিষ্যতে পড়ব। পাশে থাকা স্লিভলেস পড়ে পিক আপ্লোড দেওয়া আপুটা বলছে তুই ওরে(মাধবী) ছুইস না পাপ হবে।।

বুক টান টান করে ঠোঁট কামড়িয়ে পিক আপ্লোড করা মেয়েটি ক্যাপশান দিচ্ছে আল্লাহ সব কিছুর মালিক। মাথায় বাঁধাকপির মতো হিজাব পড়া মেয়েটি কড়া লাল লিপস্টিক দিয়ে ছবি আপ্লোড করে বলছে আল্লাহর হুকুম ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না। মাথায় জেল দিয়ে চুল খাড়া করে দেওয়া ভাইটি স্ট্যাটাস দিচ্ছেন আজকাল পর্দাশীন নারী পাওয়া খুব কঠিন। অথচ, তার ফিচার ফটোতে নেলপালিশ পড়া মাইয়্যা মাইনস্যাের হাত।

লেসবিয়ান আপুরা গে ভাইয়ারা ফিলিং সেড দিয়ে স্টেটাস দিচ্ছে আল্লাহ আপনার হুকুম ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না,দয়া করে আমাদের ভালোবাসা আপনি ঠিক করে দেন। মাথায় কড়া পারমানেন্ট কালার করা আপুটি সারারাত আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করেছে সগীরা কবিরা সব গুনাহ মাফ করে দেওয়ার জন্য।।অথচ আলাদা প্রলেপ হয় এমন কোনো কালার চুলে দিলে ওযু হয় না।।আর ওযু না হলে নামাজ হয় না।

অবৈধ উপার্জন করা মানুষটা টাকা হাতে পেয়ে বলছে হে পরওয়ারদিগার আপনি আমারে রহমত করছেন না হয় আমার যে কি বিপদ হইত। সুদখোর চাচাটা মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে পড়তে কপালে বেহেশতের চিন্হ অঙ্কিত করে ফেলেছে। অথচ হাদিসে আছে অবৈধ উপার্জন দ্বারা গঠিত শরীরের রক্ত মাংস দোজখে যাবে। ছেলেটা সারারাত পর্নোগ্রাফি দেখে দিনে বলছে সাদিয়া জাহান প্রভা একটা মাগি।

প্রায় নগ্ন হয়ে ফটোশুট করে আপুটা টকশোতে এসে বলছে মাশাল্লাহ আমাকে এতবার গুগলে সার্চ দেওয়া হয়েছে। নাই নামাজ নাই বন্দেগী মেয়েটি স্টেটাস দিচ্ছে- এই সূরা এতবার পড়লে বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। বাপের বয়সি বুড়োটা নামাজ পড়ে মাথায় টুপি দিয়ে গণিকালয়ে যাচ্ছে যাতে ধরা না পড়ে সাথে আয়াতুল কুরসি। মারফত লাইনের খালাম্মা চাচারা সারারাত কেল্লা বাবার গান শুনছে আর নবীর উপর দরুদ পড়ছে; অথচ নবী গানবাজনা পছন্দ করতেন না।

আহ, এত কৃত্রিম কেন আমরা?

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ