শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

প্রেরণার বাতিঘর : মাঈনুদ্দীন ওয়াদুদ


তামাদ্দুন সম্পাদকীয়:

“দিকে দিকে পূন: হাঁকিছে আজান নয়া যমানার নও বেলাল
ওরে বেখবর তুইও উঠ জেগে তুইও তোর প্রাণ প্রদীপ জ্বাল”।

মুয়াজ্জিনের আযান শুনে সবাই নামাজের জন্য ওঠে দাঁড়ায় না। উম্মাহ’র প্রয়োজনে সবাইকে নিবিড়ভাবে ভাবতে দেখা যায় না। বিপদের দিনে যারা এগিয়ে আসে, তাদের সংখ্যা একেবারেই হাতেগোনা । আর যদি নিজের জান-মালের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে তবেতো ধারে-কাছেই ভিড়ে না, এই বাস্তবতা অনস্বীকার্য।

বর্তমানে আমরা ঠিক এমনই এক ক্লান্তিলগ্ন পার করছি যখন সন্তানরা অসুস্থ মা’কে করোনার রোগী ভেবে জঙ্গলে ফেলে আসে। করোনা সন্দেহ হলেই নিকটাত্মীয়সহ সবাই স্বজন থেকে দূরে সরে যায়। এমনকি গোসল, কাফন-দাফনসহ জানাযার কাজটাও করার লোক মিলে না। লাশ পড়ে থাকে লাশের জায়গায়।

এমন শোচনীয় পরিস্থিতিতে যে ক’জন আমাদের দেশ ও দশের স্বার্থে সরাসরি এগিয়ে এসেছেন, নিজের জান-মালের ক্ষয়ক্ষতির কথা চিন্তা না করে শরিয়তপুরের উলামায়ে কেরামের দ্বারে দ্বারে সহযোগিতা নিয়ে ছুটছেন, তাদের অন্যতম আমাদের শ্রদ্ধাভাজন প্রিয় মানুষ, সবার খবর পত্রিকার সম্পাদক, জাতীয় লেখক পরিষদের সেক্রেটারী জেনারেল, রাজধানির মক্বীনগর মাদরাসার সম্মানিত শিক্ষক, আলেম সাংবাদিক ও বিশিষ্ট দায়ী হাফেজ মাওলানা আবদুল গাফফার।

২০০৯/১০ সনে মাওলানা আবু সাইদ নোমান সম্পাদিত পাক্ষিক মুক্ত আওয়াজ এর সাংবাদিক ইউনিটে কাজ করার সুবাদে পল্টনের তৎকালীন মুক্ত আওয়াজ কার্যালয়ে যার সাথে প্রথম পরিচয়। সেই থেকে বিভিন্ন কাজের সূত্রে আজ অব্দি দীর্ঘ পথচলা। যতোই দিন গড়াচ্ছে তাঁর কাজ দেখে ততোই উৎসাহিত হচ্ছি; দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সাথে নিয়ে কীভাবে কাজ করতে হয় তাও শিখছি। লক্ষ্য অনুযায়ী কণ্টকাকীর্ণ পথ মাড়িয়ে কীভাবে এগিয়ে যেতে হয় নির্দিষ্ট গন্তব্যে তাও জানছি।

বিভিন্ন সময় দেখেছি যদি তাঁর সামনে কারো বিষয়ে আলোচনা/সমালোচনা করা হয় সেটা তিনি কানে না নিয়ে বলেন, "অন্যদের আলোচনা রাখেন, আত্মসমালোচনা করেন, নিজের অর্জন কী তার খবর নেন। অযথা সময় নষ্ট না করে এই সময়টুকু নিজেদের কাজে ব্যয় করেন। ফায়দা হবে।"

হয়তো এই মানসিকতাই তাঁকে এতো কাজের সুযোগ করে দেয়, এগিয়ে নেয় আরেকদফা। আর এভাবেই তিনি কাজের মাধ্যমে সবার কাছে পরিচিত হয়ে উঠছেন সর্বমহলে। সমানভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন সবার কাছে।

উম্মাহ’র প্রয়োজনে আল্লাহ তাঁকে আরো বেশি কাজ করার তাওফীক দিন। দুর্দিনে এভাবে সবসময় মানুষে পাশে দাঁড়ানোর তাওফীক দিন। আমাদেরও তাঁর মতো নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে কবুল করে নিন।

দৌলতপুর, আদর্শ সদর, কুমিল্লা


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য