শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভীর কলাম


এ পরীক্ষার মধ্যেও সাড়ে চার লাখ মসজিদের কথা সবাইকে ভাবতে হবে: মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী
চেয়ারম্যান ও মহাপরিচালক, ঢাকা সেন্টার ফর দাওয়াহ রিসার্চ এন্ড কালচার

তামাদ্দুন২৪ডটকম:সারাদেশে প্রায় সাড়ে চার লাখ মসজিদের কার্যক্রম ভীষণ রকম সীমিত। বিশ্বব্যাপী মানবজাতি আগে আর কখনো এমন কঠিন পরীক্ষার মধ্যে পড়েছে বলে স্মরণকালে দেখা যায় না। আমাদের দেশের ৯৮% মসজিদের আর্থিক অবস্থা জনগণের আন্তরিকতা উদারতা ও অংশ গ্রহণের ওপর নির্ভরশীল। মার্চ এপ্রিল মে মসজিদের জরুরী ব্যয় কীভাবে নির্বাহ হচ্ছে, ঈমানদার মানুষ মাত্রকেই খবর রাখতে হবে।

জুন জুলাই আগষ্ট পর্যন্ত সার্বিক পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে এখনো বলা যাবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তো সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হতে পারে বলে প্রধানমন্ত্রী ইশারা দিয়ে রেখেছেন। সবই নির্ভর করছে এই ভয়ঙ্কর বালা মুসিবতটির গতিবিধির ওপর। অন্তত চলতি বছর ভরেই মসজিদের খবরাখবর আমাকে আপনাকে রাখতে হবে।

মসজিদের বিদ্যুৎ পানি পরিচ্ছন্নতা খেদমত , ইমাম খতীব মুয়াজ্জিন খাদেম এবং আনুষঙ্গিক খাতের ব্যয় নির্বাহের ব্যবস্থা করা প্রধানত পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব। কমিটিকেই আত্মমর্যাদা বজায় রেখে এর একটি সম্মানজনক ঘরোয়া ও সামাজিক সমাধান করতে হবে।

মসজিদের বড়ো আয় হচ্ছে দানবাক্স। নামাজিদের অভ্যাস গড়ে উঠেছে বাক্সটা কাতারে চালানোর সময় এই দানটি করার। মসজিদে যাওয়া সম্ভব নয় বিধায় এবার সবাই নামাজ ঘরে পড়তে বাধ্য হচ্ছেন। জুমা, তারাবি ও পাঁচ ওয়াক্তের নামাজে বাক্সের মাধ্যমে আয় এখন বন্ধ।

মুসল্লীরা এ দানগুলো নিজ দায়িত্বে মসজিদের স্থায়ী বাক্স কিংবা জিম্মাদার ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দিন। যারা ইফতার হাদিয়া ইত্যাদি দিতেন, তারা মনে রাখবেন, মসজিদ কিন্তু বন্ধ নয়। আজান নামাজ জুমা তারাবি ইত্যাদি সবই হচ্ছে। সাহরির সময় জাগানোর এলান হচ্ছে। সুতরাং হাদিয়ার এসব নিয়ম ও ঐতিহ্য বজায় রাখুন। সংকট মুহূর্তে বেশী করে এসব দায়িত্ব পালন করা উচিৎ।

যেসব মসজিদের তারাবির ইমামকে হাদিয়া দেওয়ার রীতি প্রচলিত আছে, তারা এবারও হাফেজ সাহেব ও ইমামগনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন পূর্বক যথারীতি হাদিয়া পৌঁছে দিন। হাদিয়া যেহেতু কোনো বিনিময় বা পারিশ্রমিক নয়, অতএব এ বছর এমন নির্মল হাদিয়া চর্চার সুযোগ নিন। নিকটস্থ ও পরিচিত আলেম, হাফেজ, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং আনুষঙ্গিক খাতের ব্যয় সবচেয়ে সম্মানজনক বরকতময় ব্যয়। আল্লাহর কাছে এ ধরনের মানুষের সাথে যোগাযোগ, সম্পর্ক ও বন্ধুত্বের মূল্য অপরিসীম।

বালা মুসিবত গজব আজাব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দান সদকা ও নেক কাজে ব্যয়ের ফলাফল নগদে পাওয়া যায়। নিজের রিজিক বৃদ্ধি পায়। আল্লাহ নেক কাজে অর্থ সম্পদ ব্যয়ের প্রতিদান ৭০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত, আর রমজান উপলক্ষে এসব আরো অধিক গুরুত্ব পায়। রমজানের বরকতে ফরজ ইবাদতের সমান বৃদ্ধি করে দেন। নিয়ত অনুযায়ী এবং অভাবের কারণে এর বিনিময় বা সওয়াব অসংখ্য গুণ ও পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। মসজিদের দিকে খেয়াল রাখুন, আল্লাহ আপনার সর্বাঙ্গীণ উন্নতি দিবেন এবং আপনার সমস্যার জন্য আল্লাহ যথেষ্ট হয়ে যাবেন।

সরকারের উচিৎ এ দুর্যোগ পূর্ণ সময়ে আগত রমজান ও ঈদ উপলক্ষে দেশের সাড়ে চার লাখ মসজিদের ১৫/২০ লাখ মানুষের এই কর্মশক্তিটিকে একটি থোক বরাদ্দের মাধ্যমে সম্মানিত ও সহায়তা করা। ধর্মমন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউণ্ডেশনকে কয়েকটি ইমাম সংগঠনের সহায়তা নিয়ে তালিকা তৈরির দায়িত্ব দিলে এটি খুব সহজেই সরকার করতে পারে। তালিকা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দেওয়া মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্টে দ্রুত টাকা দিয়ে দেওয়া যায়।

মসজিদের জন্য এভাবে কথা বলতে হবে, তা আগে আমরা ভাবিনি। এদেশে অন্যান্য ধর্মের উত্সব আয়োজনে সরকার গম, চাউল ও নগদ টাকা দিয়ে থাকে, মসজিদের জামাত তারাবি ঈদ উপলক্ষে দেশের মানুষই অর্থ সম্পদ ব্যয় করে থাকেন। এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। জনগণের পাশাপাশি সরকারও কিছু সহায়তা দিলে ভালো হয়। এ বিষয়ে দেশের নানা জায়গা থেকে ইমাম, কমিটির দায়িত্বশীল এবং কিছু ইমাম সংগঠন নেতৃবৃন্দ আমাকে অবস্থা জানিয়েছেন।

বিশ্ব মুসলিমের কাছে এ দৃশ্য সম্পূর্ণ নতুন। এ পরিস্থিতির সাথে তারা পরিচিত নন। পবিত্র মক্কা ও মদীনা শরীফের দুই প্রধান মসজিদ খুবই সীমিত আকারে খোলা। রমজানের সময় বিগত বছরগুলোতে মক্কার মসজিদুল হারামে মুসল্লী হতেন ১০ থেকে ২০ লাখ। মদীনার মসজিদে নববীতে নামাজ পড়তেন ৬ থেকে ৮ লাখ মুসল্লী।

আর এবার ওমরাহ বন্ধ থাকায় এবং স্থানীয় মুসল্লীরা লকডাউন ও কারফিউ মেনে চলতে বাধ্য হওয়ায় কেউ নামাজে আসছেন না। হারামাইন শরিফাইনে মসজিদের স্টাফরাই কেবল জামাত জুমা তারাবি চালু রেখেছেন। আরব বিশ্বের বহু মসজিদ বন্ধ। কিছু মসজিদে শুধু আজান ধ্বনিত হচ্ছে। দুএকজন জামাত পড়ছেন। মুসল্লীদের বলা হচ্ছে নিজের অবস্থানেই নামাজ পড়ে নিতে। সামান্য কিছু পরিবর্তন করে এ নিয়মটিই এখন এশিয়া ও উপমহাদেশের সব মসজিদের ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করতে হচ্ছে।

প্রাণঘাতী মহামারী ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা কমিয়ে আনার জন্য জীবনের প্রতিটি অঙ্গনের মতো মসজিদের বেলায়ও একই রকম সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। সবাই জানেন যে, ইসলামী কিকহে'র আলোকেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মসজিদ ও জামাত চালু রেখে বাংলাদেশ একটি প্রশংসিত পথ বেছে নিয়ে মুসলিম বিশ্বে নজির স্থাপন করে। মধ্যপ্রাচ্যের বহুদেশের সরাসরি মসজিদ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের তুলনায় বাংলাদেশের এ পদ্ধতি অবশ্যই অনেক বেশী ভারসাম্যপূর্ণ ও সুন্দর।

তবে বাংলাদেশের বাস্তবতায় গরিব মানুষের জন্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ক্ষেত্রভেদে লকডাউন তুলে নিতে হবে। প্রথম রোগ ধরা পড়ার ৬০/৬৫ দিন পার হলে এলাকাভেদে মসজিদে যাওয়া উন্মুক্ত করে দিতে হবে। হেফজখানা, মক্তব, প্রাইভেট মাদরাসা, মহিলা মাদরাসা ও কওমী মাদরাসা স্বাস্থ্য সুরক্ষা নীতি অনুসরণ সাপেক্ষে সহসাই খুলে দিতে হবে। সরকারের টাকায় যাদের গ্রাসাচ্ছাদন চলে, যারা বিত্তবান তাদের মতো নিয়মের পাবন্দী করা সাধারণ মানুষের জন্য সম্ভব নয়। সবচেয়ে বেশী সমস্যা আত্মমর্যাদাশালী পরাঙ্মুখ আলেমদের। যারা অন্য মানুষের মতো সাহায্য সহযোগিতা নিতে পারেন না। তাদেরকে সহনীয় মাত্রায় বিচরণ করতে দিতেই হবে। এ সংক্রান্ত অধ্যয়ন ও প্রস্তাবনা আমরা সরকারের বরাবরে জমা করতে যাচ্ছি।

কোনো মসজিদ লকডাউন নয়। পূর্ণ তালাবদ্ধ নয়, আজান নামাজ জামাত জুমা তারাবি ইত্যাদি বন্ধ নয়, আশা করি স্বাস্থ্য সুরক্ষা নীতি অনুসরণ করে ২/৪ জনের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে সুন্নত এতেকাফও অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হবে। রমজানের শেষ দেশ বিজোড় রাতের সন্ধানে দেশ দিনের এই এতেকাফ সুন্নতে মুয়াক্কাদা কিফায়া। কিছু লোক আদায় করলে মসজিদের আওতাধীন মহল্লার সবার পক্ষে আদায় হয়ে যাবে। আর কেউ না করলে সবাইকে সুন্নত তরকের দায় বহন করতে হবে।

এবারকার এই অবস্থা বৈশ্বিক মহামারী কোভিড১৯ এর সংক্রমণ ও বহুমানুষের মৃত্যু জনিত কারণে সৃষ্টি হয়েছে। নোভেল করোনাভাইরাস কোভিড১৯ এর কোনো প্রতিষেধক, টিকা, সুনির্দিষ্ট ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। এর ধরণটিও নজিরবিহীন। কে আক্রান্ত তা কেউ সহজে বোঝা যায় না। এমনকি রোগী নিজেও জানেনা যে সে আক্রান্ত। না বুঝেই কেউ তার পরিবার পরিজনসহ ব্যাপক সংক্রমণ ঘটায়। এভাবে একটি হাসপাতালকেও সে অচলাবস্থায় ফেলে দিতে পারে। মসজিদও এমন শঙ্কা থেকে মুক্ত নয়।

তাছাড়া, সারাদেশের সবজায়গায় সবশ্রেণী পেশা বয়সের সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ নিয়মিত মসজিদে গমন করেন। যেমনটি এত সুষম হারে আর কোনো সমাগমে পাওয়া যায় না। তাই সবশ্রণীর নাগরিককে সামাজিক ও স্বাস্থ্যগত দূরত্বের পরিধি বাড়িয়ে নিরাপদ রাখতে জামাতে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই অবকাশ আলেমগণ জানিয়ে দিয়েছেন।

আর যারা জরুরী ডিউটিতে আছেন, তারা নির্দিষ্ট কিছু পেশার। যারা দৈনন্দিন এমন প্রয়োজনে বাইরে যাচ্ছেন, যা বাইরে না গিয়ে পূরণ করা সম্ভব না। যেমন, পাইকারি বাজার, আড়ত, ওষুধ, জরুরী জীবনোপকরণ চেইন অব্যাহত রাখা। এসব স্থানে নির্দিষ্ট পেশার মানুষের না গিয়ে ঘরে আবদ্ধ লোকজনকে চালিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এসবের সাথে এমনকি আমদানি রপ্তানি কলকারখানা উতপাদন ও গার্মেন্টস সেক্টরের তুলনা করা যায় না। এসব দিয়ে বৃহত্তর নাগরিক জীবনের অমূল্য ত্যাগ বিশেষত জামাত জুমা তারাবি ইত্যাদি ঘরে পড়ে ধর্মপ্রাণ মানুষ যে গভীর কষ্ট, যাতনা ও আধ্যাত্মিক অবদমনের বেদনা সহ্য করে চলেছেন, এর অবমূল্যায়ন করে বাইরে যাওয়া কিংবা সমবেত হওয়ার দৃষ্টান্তও দেওয়া যৌক্তিক হতে পারে না।

আর যারা নিয়ম মানেনা বা মানতে পারে না, তাদেরকে দেখিয়ে নিজেরা নিয়ম ভাঙ্গার চেষ্টা করা কোনো সঠিক কাজ নয়। ধরা যাক কেউ অধম, তাই বলে আমি কেন উত্তম হবো না।

যখন সামগ্রিক পরিস্থিতি পাল্টে পরিবেশ সহনীয় পর্যায়ে আসবে, তখন সবার আগে মানুষ মসজিদেই যাবে ইনশাআল্লাহ। নাগরিক জীবনের অন্য সবকাজ ধীরে ধীরে শুরু হলে, মসজিদের জামাত উন্মুক্ত করার কাজটি কারো করতে বা বলে দিতে হবে না। এটির সঠিক সময় নামাজিরাই বুঝতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ও বুঝতে পারবে যে এখন জামাতে নামাজ পড়ার আর কোনো বিধিনিষেধ থাকতে পারে না। তারা তখন একদিনেই নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে দেবে।

এ সহনীয় মাত্রার সময়টির অপেক্ষায় গোটা জাতি লকডাউন পিরিয়ড অতিক্রম করছে। শুধু অপেক্ষা, কঠিন পরীক্ষার সময়টি যাতে পার হয়ে যায়। মহামারীর বিস্তার যেন আল্লাহর কুদরতি হাতে বাংলাদেশের জন্য রুদ্ধ করে দেয়া হয়। ধারণা করা মৃত্যুর মিছিল যেন আমাদের দুর্বল জনগোষ্ঠীকে স্পর্শ না করে। আল্লাহ এ অক্ষম দেশের প্রতি বিশেষ অনুগ্রহ ভিক্ষা না দিলে আমরা শেষ হয়ে যাবো।

দুর্বল আর অক্ষম জনগোষ্ঠী কেন বললাম, যাদের শাসকরা ৫০ বছর ধরেই পয়সা বানাচ্ছে, পেট তাদের ভরছেই না। তারা এখনো ক্ষুধার্ত মানুষের মুখের গ্রাস চুরি করে এবং মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়ের সময় কমিশন খাওয়ার চেষ্টা করে। যারা মানুষের লাশ নিয়ে বাণিজ্য ও জীবন নিয়ে খেলা করে। মহামারীর সময় মিথ্যা ত্রাণ ও কৃষকের ধানকাটা নিয়ে তামাশা ও ফটোসেশান করে। করোনায় পুলিশ রেবা ডাক্তার নার্স স্বাস্থ্যকর্মী সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হলে জনগণ মনে দুঃখ পায়। এসব বেঈমান ও অমানুষ শাসক আক্রান্ত হলে বা টপাটপ মরলে জনগণ আর কষ্ট পেতো না।অর্থনীতি জীবন উন্নয়ন বেঁচে থাকা ইত্যাদি সব ধ্বংসের অতল তলে হারিয়ে যাবে। আল্লাহর রহমত ও বরকত লাভ করতে তাঁর সন্তুষ্টির জন্য ব্যয়ের মাধ্যমে আমরা আমাদের ভবিষ্যতকে আলোকিত করতে পারি।

পবিত্র রমজানের দোয়া এটিই, আল্লাহ যেন গোটা দুনিয়াকে এ অদৃশ্য অভূতপূর্ব ও অভিনব চরিত্রের জীবাণু অস্ত্র কিংবা ভাইরাসরূপী গজব ও আজাব থেকে রক্ষা করেন। সৃষ্ট মহামারী দূর করে দেন। করোনাভাইরাস কোভিড১৯ এর বিরূপ প্রভাব কাটিয়ে উঠতে মানবজাতি যেন সফল হয়। দুর্ভিক্ষ ও মন্দার হাত থেকে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন। মসজিদ উন্মুক্ত করার পরিস্থিতি তৈরি করে দিন। দীনি শিক্ষার সকল মারকাজ জীবন্ত ও গতিময় করে দিন। তাঁর বান্দাদের জীবনযাত্রা সচল ও স্বাভাবিক করে দিন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য