শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

শাপলা চত্বরের গণহত্যার বিচার চাই: বাংলাদেশ কওমি ছাত্র ফোরাম


নিজস্ব প্রতিবেদক: তামাদ্দুন:-২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতৃত্বে তথাকথিত নাস্তিক-ব্লগার বিরোধী যেই ঐতিহাসিক আন্দোলন ও কর্মসূচি হয়েছিল, তাতে অংশ নেওয়া নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের ওপরে রাতের অন্ধাকারে গণহত্যা চালানো হয়েছিল দাবি করে হত্যাকারী ও গাদ্দারদের বিচার দাবি করেছে কওমি পড়ুয়াদের সংগঠন "বাংলাদেশ কওমি ছাত্র ফোরাম"।

মঙ্গলবার (৫ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ নবী (সা.) ইজ্জত রক্ষায় ঢাকা অবরোধের যে ডাক দিয়েছিল, তাতে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারী ও নবীপ্রেমিকদের সেদিন রাতের অন্ধকারে গণহত্যা ও গণশহীদ করা হয়। সেই হত্যাকাণ্ডের বিচার আজও হয়নি এবং আমাদের ঘরানার (কওমি ঘরানার) যারা সেদিন গাদ্দারি করেছিল, তাদেরও প্রকাশ্যে চিহ্নিত করা হয়নি। অথচ, তাদের সমুচিত বিচার হওয়া ছিল একটি স্বাধীন দেশের ৯০ ভাগ মুসলমানের দাবি।
তারা বলেন, দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও আজও অপরাধীদের বিচার করা হয়নি।

লিখিত বিবৃতিতে তারা বলেন, আমরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি জানাই। সরকার সংশ্লিষ্ট এবং ছদ্মবেশী যারাই এর সঙ্গে জড়িত, তাদের সবার বিচার করতে হবে।

তারা আরও বলেন, আমরা আমাদের রব এক আল্লাহর কাছেও বিচার দায়ের করছি, তিনি দুনিয়ার বুকে তাদের বিচার করবেন এবং পরকালেও তাদের শাস্তির মুখোমুখি করবেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের একটি গণসমাবেশ এবং আন্দোলন সংঘটিত হয় এবং তাতে অংশ নেওয়া সরলমনা মুসলমানদের সরকার কর্তৃক পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সমন্বিত বাহিনী দ্বারা অপারেশন সিকিউর শাপলা অভিজান চালিয়ে তাদেরকে বিতাড়িত করা হয়।

যুগান্তর পত্রিকার রিপোর্ট মতে ১ লক্ষ ৫৪ হাজার গুলি, রাবার বুলেট, টিয়ার গ্যাস, পিপার গান, বৃষ্টির মতো সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে পুলিশ-র‌্যাব-বিজিবির যৌথ বাহিনী নিরীহ, নিরাপরাধ, তাহাজ্জুদ গুজার, জিকিররত আলেম হাফেজ ও আশেকে রাসূলদের ওপর। ’

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য