শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

আমার কথা। মাঈনুদ্দীন ওয়াদুদ


তামাদ্দুন ডেস্ক: কওতে নিজের কথা বলতে এলাম, বিরক্ত হলে মাফ করে দিবেন। বিশ্বাস করুন! আমি আপনাদের বিরক্ত করতে আসিনি, এসেছি স্বজাতীয় বন্ধুদের সাথে স্বপ্নের কথা শেয়ার করতে, আপনাদের অভিজ্ঞতা থেকে খানিকটা আহরণ করতে। দিবেনতো?এবার আসি মূল কথায়।

ছাত্র জমানা থেকেই ভাবনা ছিলো পড়াশোনা শেষ করে ব্যবসা করার, একেবারে দাওরায়ে হাদীসের বছরও এ বিষয়টাই মাথায় ছিলো, কিন্তু মাওলার ইচ্ছা হয়তো ভিন্ন ছিলো, তাই তিনি আমাকে কবুল করলেন কোরআনের শিক্ষক হিসেবে, সেই ২০১১ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত তানযীমুল উম্মাহসহ দুই/তিনটা প্রতিষ্ঠানে মোট আটবছর শিক্ষকতা করলাম। ২০১৭ তে এসে মারওয়াহ ফাউন্ডেশন করলাম নানামুখী উদ্যোগে নিজেকে জড়ানোর জন্য।

যেই ভাবা সেই কাজ, ২০১৮ এর শেষের দিকে ফাউন্ডেশনের অধীনে মাদরাসাতুল মারওয়াহ নামে একটি প্রাইভেট মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করলাম। আলহামদুলিল্লাহ! ভালোই চলছিলো চলমান বছরের মার্চ পর্যন্ত, কিন্তু আল্লাহ‘র কি হুকুম! করোনা এসে আমাদের সব পরিকল্পনা এলোমেলো করে দিলো। মজবুত একটি দেয়ালে ফাটল ধরিয়ে নড়বড়ে করে দিলো, দুর্বল করে দিলো ইস্পাতকঠিন ভীতকে। এখন মারওয়াহ’র অস্তিত্ব হুমকির মুখে। রাব্বে কারীমের নেকদৃষ্টি না পড়লে আগামীর পথ অন্ধকার।

তবে আমি আশাহত নই, যে মানুষটা এতোটা বছর অগণিত যুবককে আত্মবিশ্বাস শিখিয়েছে, সে এতো তাড়াতাড়ি হতাশায় নিমজ্জিত হবে, এটা কি করে সম্ভব! এর শেষ না দেখে নড়ে যাবার মানুষ আমি নই, মরণ আসলে এখানেই মরবো, তবুও হাল ছাড়বো না ইনশাআল্লাহ!

এবার আসি কও প্রসঙ্গে, নিজেকে শিক্ষকতা পেশায় জড়ালেও মাথা থেকে ব্যবসার চিন্তাটা এক মুহুর্তের জন্যও বিতাড়িত করতে পারিনি, সেই ২০১১ থেকে ব্যবসায়িক ফিল্ড নিয়ে স্টাডি করছি, মাঝখানে ২০১৫ তে চাকুরী ছেড়েই দিয়েছিলাম ব্যবসা করবো বলে, পরে কাছের কারো সাপোর্ট পাইনি বলে বেশকিছুদিন ঘুরেও আর নামা হয়নি, তবে ব্যবসা সম্পর্কে ধারণা লাভ হয়েছে।

২০০৭ সালে রমজানে আপন বড় ভাই টাউন হল সুপার মার্কেট মসজিদের ইমাম মাওলানা ইমদাদুল হক আবদে রাব্বীর আরব স্টোরে বসে বেচাকেনার টুকটাক অভিজ্ঞতাও অর্জন করেছি।

করোনার এই করুণ পরিস্থিতিতে এসে ছোট ভাই শাহাদাহ শপ এর সত্ত্বাধিকারী হাফেজ মাও. নুরুল হাসান এর ব্যবসা দেখে অনুপ্রাণিত হলাম। #রোকন রাইয়ান ভাইয়ের কওতে এসে সেই অনুপ্রেরণা বেড়ে গেলো আরো কয়েকগুন, মনে হলো এবার শুরু করা দরকার। তাই আল্লাহর নামে #রফরফ নামে একটি অনলাইন শপ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। সাথে আছে স্নেহের ভাগিনা #আবুবকরবিনরাশেদ। ম্যানেজার হিসেবে জয়েন করেছে আরেক ভাগিনা #ওমরবিননিজাম।

ভবিষ্যতে সফলতার মুখ দেখতে পারলে আউটলেট করার চিন্তাও মাথায় আছে। সবকিছু গুছিয়ে অচিরেই পণ্যের আপডেট নিয়ে কওতে হাজির হবো ইনশাআল্লাহ। আমার কাজ চেষ্টা করা, সফলতা দেবেনতো তিনি, যিনি মহা শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোকেও একেবারে কোনোরকম অস্ত্র ছাড়াই অদৃশ্য এক শক্তি দিয়ে কাবু করে দিলেন।

লেখক: সম্পাদক-তামাদ্দুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য