শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

হাগলো বেটির দোষ নাই দেখলো বেটির দোষ: তামাদ্দুন


তামাদ্দুন সম্পাদকীয়: সুযোগ বারবার আসেনা, মাঝে মাঝে আসে, কারো কারো ক্ষেত্রে একবারই আসে, যে নিজের অবহেলাবশত: সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনা, আমার দৃষ্টিতে সে বিকলাঙ্গ। এই সমাজে নিজের পাটাতন মজবুত করার ক্ষমতা তার নেই। আর যে নিজের অবহেলাবশত: সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি তার বশ্যতা স্বীকার করে নেওয়া উচিত। নতুবা সে অপরাধী। কারণ সোজা, যে নিজের অপারগতা সত্ত্বেও অন্যের কাছে নিজেকে সক্ষম হিসেবে সাব্যস্ত করতে চায়, অপরাধী হয়েও নিজেকে সাধু দেখাতে সচেষ্ট, সে তার নীতি পরীক্ষায়ও পরাজিত। আর নীতিহীন মানুষকে যে যাই বলুক আমি মানুষ বলিনা।

আপনি আপনার দায়িত্বে অবহেলা করেছেন বা ভুল করেছেন, মেনে নিলে সাতখুন যেমন মাফ তেমনি আপনি নিজেও ফ্রেশ হয়ে গেলেন। এর বিপরীত হলে আপনার কাছে আপনি প্রশ্নবিদ্ধ। বলতে পারেন এটা আবার কিভাবে?

বলছি তাহলে...। আপনি চুরি করেছেন এই খবর কেউ জানেনা, আপনি কি জানেননা? আপনি অপরাধ করেছেন কেউ দেখেনি, আপনি কি দেখেনেনি? তার মানে আপনি যে অপরাধী এটা আর কেউ না জানুক, আর কেউ না দেখুক, আপনি শতভাগ জানেন এবং দেখেন। তাহলে আপনি কখনো বুকে হাত দিয়ে নিজেকে ভালো বলতে পারবেন? ফলাফর কি দাঁড়ালো? নিজের কাছে আপনি সারাজীবন অপরাধী হয়ে থাকলেন।

কেউ আবার এমন আছে, অপরাধ করবে আবার তার দায়িত্বশীল অথবা কেউ যদি সে সম্পর্কে বলে, তবে সে আপনার উপর চরমভাবে চড়াও হবে। ক্ষুদ্ধ হবে। নিজেকে সাধু সাজাতে সর্বোচ্চ সচেষ্ট হবে। এ বিষয়ে একটি গল্প মনে পড়েছে, শুনতে একটু খারাপ লাগলেও উপরের বক্তব্যের সাথে মিল আছে যথেষ্ঠ, বলছি, শুনুন।

অগ্রজ লেখক মাওলানা যাইনুল আবিদীনের নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই। হারিয়ে যাওয়া মাসিক রহমতে তিনি নিয়মিত কলাম লিখতেন। পত্রিকা বের হওয়ার আগে সবসময় তাঁর কলাম পড়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকতাম।

একসংখ্যায় একটি গল্প পড়েছিলাম, গল্পটা অনেকট এমন; ভারতের কোন এক রাজ্যে এক মেয়ে রাস্তার পাশে বসে প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারছিলো, পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো এক লোক! তখন মেয়েটি তাকে ডেকে বললো ইয়ে মোল্লা! মাই টিড্ডি কার রাহাহো, তুই কিউ দেখ রাহিহো?

হয়তো এটাকেই আমাদের দেশের মুরব্বীরা বলেন; হাগলো বেটির দোষ নাই, দেখলো বেটির দোষ।

মাঈনুদ্দীন ওয়াদুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক
তামাদ্দুন ২৪ ডটকম

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

1 মন্তব্য