শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

ব্যবসায় আলেমদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হোক ভোক্তা অধিকার:তামাদ্দুন


কাউসার আহমদ সুহাইল:ব্যাবসায়িক অঙ্গনে আলেম উলামাদের সরব পথচলার প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। স্বনির্ভরতার পথে এ পথচলা অবারিত হোক। প্রতিষ্ঠিত হোক বিশুদ্ধ পন্য পাওয়ার ভোক্তা অধিকার।

মজুতদার ও অসাধু ব্যবসায়িকদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়ে ভালো ও বিশুদ্ধ পন্য মানুষের কাছে পৌছিয়ে দেয়ার এ পূন্য কাজ গোমরাহী নয় বরং এটা সিরাতুল মুস্তাকিমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নবী-রাসূল, ইমাম ও আমাদের আকাবিরগন এ পথে হেঁটে গিয়েছেন বহুদূর।

শুধু মুনাফা নয় বরং মানুষের কাছে সঠিক ওজনে নির্ভেজাল মানসম্মত পন্য পৌঁছানোর নিয়তটি যদি ব্যবসার সময় আপনি মানের কোনে লুকিয়ে রাখতে পারেন তবে বিশ্বাস করুন এটা আপনার জন্য নিখাদ খালেছ ইবাদত হিসেবে গন্য হবে।

দ্বীনের তাকাযা বা নিজের প্রয়োজন পূরণে পরনির্ভরতা এড়িয়ে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে যাওয়াটা যে একবিংশ শতাব্দীর অনেক বড় চ্যালেঞ্জ সেটা আমাদের বুঝার সময় হয়েছে।

কারণ আগে মানুষ দ্বীনের জন্যে বা আলেম উলামার পিছনে দু পয়সা খরচ করতে পারাকে নিজের জন্য সৌভাগ্যের বিষয় মনে করত। এ দ্বারা দ্বীন ও তাঁর দুটোরই উপকার হতো। কিন্তু কালের দূর্বিপাকে এখন মানুষ দ্বীনের জন্য বা আলেমের খেদমতে টাকা খরচ করাটাকে সেভাবে না দেখে তুচ্ছতাচ্ছিল্যের সাথে দেখায় ঐ ব্যাক্তির ঈমান নষ্ট হচ্ছে আর আমরাও এর দ্বারা আগের মত বরকত পাচ্ছি না।

তাই ৭০ ডিগ্রি কোনে আমাদের এখন ঘুরে দাঁড়াতে হবে। সমাজ যখন দেখবে মাদরাসায় পড়ুয়া ছেলেরা সফল ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি হচ্ছে। মাদরাসায় পড়লে আমার সন্তান কি খাবে? কিভাবে চলবে? এধরনের অবান্তর প্রশ্নকে দূরে ছুড়ে তখন তাঁরা তাদের সন্তানদের মাদরাসার আঙ্গিনায় এ নিয়ে আসবে মুক্তমনে।

মনে রাখতে হবে সমাজে শুধুমাত্র শিক্ষক সাপ্লাই দেয়াই একটা শিক্ষাব্যবস্থার সফলতার মাফকাঠি হতে পারেনা। সমাজের রাজনীতি, অর্থনীতি, শ্রমনীতি, সংস্কৃতিসহ সকল বিভাগে যে শিক্ষাব্যবস্থা অবদান রাখতে সক্ষম হবে, সে শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি মানুষের মনযোগ ও জনস্রোত দ্রুত বৃদ্ধি পাবে নিঃসন্দেহে।

তাই মাদরাসা মসজিদের পবিত্র আঙ্গিনার পাশাপাশি জীবনের অন্যান্য মজলুম আঙ্গিনাগুলোর প্রতিও আমাদের সুনজর দিতে হবে। গুরুত্ব দিতে হবে গাইরে আহালের কাছে হাত না পাতার তাৎপর্যপূর্ণ সুন্নাতের দিকে।

লেখক: জাতীয় গীতিকার, সুরকার সংগীতশিল্পী
ফারেগঃ জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মুহাম্মদপুর, ঢাকা (২০০৪)
ম্যানেজিং ডিরেক্টর
পুষ্পকানন প্রোপার্টিজ লিঃ
উত্তরা ইষ্টার্ণ সিটি

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য