শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

কওমী অঙ্গনে চলমান অস্থিরতা নিরসনেমুফতি সাখাওয়াতের কয়েকটি প্রস্তাব :-

) বেফাক মহাসচিব আপন পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন। অতঃপর মুরুব্বীরা তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগের ধরণ, সংশোধনের সম্ভাবনা সম্ভাব্য মহাসচিবদের যোগ্যতা গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে পুনরায় কিংবা নতুন কাউকে নির্বাচন করতে পারেন।

) রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীলগণ দলীয় পদ দলীয় রাজনীতি ছেড়ে বেফাকের মহাসচিবের পদ গ্রহণ করবেন কিনা বিষয়টি এখনই পরিষ্কার করবেন। কেননা, কোন রাজনৈতিক দলে সক্রিয় থাকা ব্যক্তি বেফাকের মূল পদে আসলে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হতে পারে। অবশ্য বেফাক গঠনতন্ত্রে এই ধরনের একটি নীতিমালা আছে।

) মহাসচিব নির্বাচনের আগেই মুরুব্বিরা এমন একটি সিদ্ধান্ত নিবেন যে, মহাসচিব নির্বাচনের পরে ওই বৈঠকেই সকলে মিডিয়ার সামনে কথা বলবেন। এর বাইরে কেউ কোন কথা বলতে পারবেন না এবং প্রত্যেকে নিজ নিজ অনুসারীদের শান্ত ধৈর্যশীল হতে পরামর্শ দিবেন।

) দুর্নীতির প্রত্যেকটি অভিযোগ তদন্ত করতে কয়েকটি স্বচ্ছ তদন্ত কমিটি গঠন করবেন এবং দ্রুত সময়ে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন। গঠনতন্ত্র বিরোধী কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়ে থাকলে তা তাৎক্ষণিক বাতিল করবেন কিংবা পর্যায়ক্রমে বাতিল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।  

) বেফাক একটি স্বাধীন শিক্ষা বোর্ড। এখানে সরকারের পক্ষে-বিপক্ষের কোন বিষয় নেই। তারপরও নানা দিক থেকে চাপ আসতে পারে। কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে কাজ করে যাবেন এই মর্মে দায়িত্বশীলগণ শপথ নিবেনএবং যদি কখনো মনে করেন যে কারো জন্য চাপ সামলানো সম্ভব হচ্ছে না; তো তিনি নিজ থেকেই সরে দাঁড়াবেন। ভয়ে কাবু হাওয়া সত্বেও পদ ধরে রাখতে পারবেন না কিংবা হেকমতের নামে কোন ধরনের বক্রপথ অবলম্বন করতে পারবেন না।
আল্লাহ তায়ালা তাওফিক দান করুন, আমিন

এ এইচ.

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য