শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

বন্যার পানিতে ভাসতে পারে রাজধানীর কিছু কিছু এলাকা

ফাইল ছবি
ডেস্ক: উজানের ভারী বৃষ্টিতে শোনা যাচ্ছে বড় বন্যার প্রতিধ্বনি। এর প্রভাবে উত্তরাঞ্চলের পাশাপাশি রাজধানীর নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ দেশের নদনদীগুলো আরও ফুঁসে উঠতে পারে। এতে বন্যাদুর্গত এলাকায় পানি আরও বাড়তে পারে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র মঙ্গলবার এসব আশঙ্কার কথা জানিয়েছে।

তাদের আশঙ্কা, এই বন্যা এক মাসের বেশি সময় ধরে অবস্থান করতে পারে। শুক্রবারের মধ্যেই উজানের ঢল নামতে শুরু করলে বড় নদীগুলোর পানি বাড়তে পারে। এতে বানভাসীদের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে। ঢাকার নিকটবর্তী বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও শীতলক্ষ্যায় ইতোমধ্যে পানি বেড়েছে। বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

গত দুদিনে পানি কিছুটা কমলেও ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ঘাঘট, পদ্মাসহ কয়েকটি নদীর জন্য নতুন হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে ভারতের আসাম ও মেঘালয়ের ভারী বৃষ্টিপাত। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃষ্টিপাত বাড়লে দেশের অন্তত ৪০ শতাংশ জেলা প্লাবিত হতে পারে। 

এদিকে, বন্যার স্থায়িত্ব দীর্ঘ হলে জনদুর্ভোগের পাশাপাশি ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। ইতোমধ্যে তলিয়ে গেছে আমনের অনেক বীজতলা। দুশ্চিন্তা বেড়েছে পাটচাষীদের। অবশ্য বন্যা পরিস্থিতি সরকার পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। বিশেষ করে আমনসহ বিভিন্ন ফসলের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে রাখার কথা জানান মন্ত্রী। মঙ্গলবার সরকারি বাসভবন থেকে একটি অনলাইন অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী এ তথ্য দেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভুঁইয়া জানান, চলমান বন্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। কিন্তু আগামী এক বা দুদিনের মধ্যে ভারতের আসাম ও মেঘালয়সহ উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হবে। যার পানি আবারও চাপ বাড়াবে দেশের প্রধান নদীগুলোতে। এর প্রভাবে আগামী শুক্রবার থেকে দীর্ঘমেয়াদী ও বড় ধরনের বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যা এক মাসের বেশি সময় অবস্থান করতে পারে।

তিনি আরও জানান, পানির চাপ বেশি হলে ডেমরা, বনশ্রীসহ কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া ড্রেনের তুলনায় নদীর পানির উচ্চতা বাড়লে রাজধানীতে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে। ঢাকার আশপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও শীতলক্ষা নদীর পানি এরই মধ্যে বেড়ে গেছে। দোহার ও মুন্সিগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে বন্যার প্রভাব পড়েছে। আসন্ন বন্যায় ঢাকার নিম্নাঞ্চল ও নারায়ণগঞ্জ প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা অনেক বেশি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য