শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

পরিমণির ধর্ষন নিয়ে তুলপাড়, বিশিষ্টজনদের মতামত

ইবনে সাবিল-তামাদ্দুন: গতকাল বিকেলে হঠাৎ করেই মিডিয়াকর্মী নায়িকা পরিমণি তার ভেরিফাইড পেজ তাকে ধর্ষণের বিষয়ে পোস্ট করেন। এরপর থেকে নানা মহল থেকে নানান মন্তব্য আসতে শুরু করে। নিচে পরিমণির পোস্টসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কিছু মতামত তুলে ধরা হলো। 

পরিমনির পোস্ট

-----------------

বরাবর

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আমি পরীমণি।এই দেশের একজন বাধ্যগত নাগরিক।আমার পেশা চলচ্চিত্র।
আমি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি।
আমাকে রেপ এবং হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে।
আমি এর বিচার চাই।
এই বিচার কই চাইবো আমি? কোথায় চাইবো? কে করবে সঠিক বিচার ? আমি খুঁজে পাইনি গত চার দিন ধরে। থানা থেকে শুরু করে আমাদের চলচ্চিত্রবন্ধু বেনজির আহমেদ আইজিপি
স্যার! আমি কাউকে পাইনা মা।
যাদেরকে পেয়েছি সবাই শুধু ঘটনা বিস্তারিত জেনে, দেখছি বলে চুপ হয়ে যায়!
আমি মেয়ে, আমি নায়িকা, তার আগে আমি মানুষ। আমি চুপ করে থাকতে পারিনা। আজ আমার সাথে যা হয়েছে তা যদি আমি কেবল মেয়ে বলে, লোকে কী বলবে এই গিলানো বাক্য মেনে নিয়ে চুপ হয়ে যাই, তাহলে অনেকের মতো (যাদের অনেক নাম এক্ষুণি মনে পরে গেল) তাদের মতো আমিও কেবল তাদের দল ভারী করতে চলেছি হয়তো।
আফসোস ছাড়া কারোর কি করবার থাকবে তখন!
আমি তাদের মতো চুপ কি করে থাকতে পারি মা?
আমি তো আপনাকে দেখিনি চুপ থেকে কোন অন্যায় মেনে নিতে!
আমার মা যখন মারা যান তখন আমার বয়স আড়াই বছর। এতদিনে কখনো আমার এক মুহুর্ত মাকে খুব দরকার এখন,
মনে হয়নি এটা। আজ মনে হচ্ছে , ভীষণ রকম মনে হচ্ছে মাকে দরকার ,একটু শক্ত করে জড়িয়ে ধরার জন্য দরকার।
আমার আপনাকে দরকার মা। আমার এখন বেঁচে থাকার জন্য আপনাকে দরকার মা।
মা আমি বাচঁতে চাই।
আমাকে বাঁচিয়ে নাও মা 🙏

বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত
---------------------------

নেয়ামতুল্লাহ আমিন

পরিমণিকে ধর্ষণকারী ব্যক্তিটি হলেন নাসির ইউ মাহমুদ। যিনি একজন সুনামধন্য মানুষ। সফল ব্যবসায়ী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস এম হলের নির্বাচিত জি এস(৮১-৮২)। উত্তরা ক্লাবের তিন তিন বার নির্বাচিত সভাপতি। ঢাকা বোট ক্লাব নামক একটি অনিন্দ্য সুন্দর ক্লাবের নির্মাতা।


মহিউদ্দীন হাসান খান

রমজান মাসে দুবাই গিয়া প্রতিদিন আধা ন্যাংটা ছবি ছাড়তো তার। শুধুমাত্র নিজের ফেসবুকে না। সাংবাদিকেরাও সেগুলো পত্রিকায় ছাড়তো।
এতো তাড়াতাড়ি গজব আসবে, ভাবতেও পারিনি।
সেই ছবি দেখেই কেউ অনুপ্রাণিত হইয়াই তারে ঘর্ষণ করছে। যেটা এখন সাংবাদিকেরা ধর্ষণ হিসেবে আখ্যায়িত করতাছে।
ছাত্র যামানায় একবার ধর্ষনের সংজ্ঞা আবিস্কার করছিলাম এইভাবে-
জোরপূর্বক বেইজ্জত করিয়া,
ইজ্জতের উপর ইজ্জত রাখিয়া;
কিছুক্ষণ ঘর্ষণের ফলে যে বর্ষন হয়,
তাহাকেই ধর্ষণ বলা হয়।
সমবেদনা রইলো বিশিষ্ট চামড়া ব্যবসায়ী জনাবা পরিমনির জন্য।


শাহরিয়ার ইমরান

পরীমনি-ওদের জীবনটাই এমন, সারাজীবন লুকিয়ে লুকিয়ে দেহব্যবসা করবে আর টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে মনোমালিন্য হবে তারপব বলবে ধর্ষণ চেষ্টা কিংবা আরো নানাবিধ তকমা।
আর জীবনের শেষ পর্যায় এসে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান নিয়ে চিকিৎসা করাবে কিংবা গলায় দড়ি ঝুলিয়ে আত্নহত্যা করবে!
এটাই-তো ওদের জীবন।
সাথে সাথে নির্লজ্জ মিডিয়াকে একটু না বললেই নয় জ্বলন্ত প্রমাণ দেখুন সামান্য একটু পরীমনিকে উত্ত্যক্ত করায় মিডিয়াগুলো‌ নিউজটা লুফে নিতে একটু কার্পণ্য করেনি। অথচ ৩ দিন ধরে একজন বিখ্যাত আলেমেদ্বীন আবু ত্বহা আদনান তার ড্রাইভার এবং সহকর্মী সহ নিখোঁজ এ ব্যাপারে মিডিয়াগুলোর বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ নেই।
কি আর বলবো শোষিতের যাঁতাকলে দিকে দিকে নিঃশেষ হচ্ছে জন্মভূমি প্রাণের বাংলাদেশ।




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ